সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধীতা করে দশ দিন আগেই মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসত পর্যন্ত বিরাট মিছিলে পা মিলিয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তৃণমুলের মিছিলকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিনন্দন যাত্রার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। রবিবাসরীয় দুপুরে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে অভিনন্দন যাত্রা আক্ষরিক অর্থেই আড়ে এবং বহরে তৃণমুলের থেকে অনেকটাই কম ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর রুটে যশোর রোড ধরে হাজার হাজার গেরুয়া বাহিনীর কর্মী সমর্থকেরা হেঁটে চাঁপাডালি হয়ে কলোনি মোড়ে পৌঁছলেও এদিন দিলীপ ঘোষ কিন্তু হাঁটেননি। মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসত ৬ কিলোমিটার রাস্তার গোটাটাই তিনি গাড়িতে করেই পৌঁছেছেন। গলায় মালা পরে ফুল ছেটাতে ছেটাতে গিয়েছেন। শেষে কলোনি মোড় সংলগ্ন মিলনির মাঠে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে সাধারন মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই আইনের বিরোধীতা কারিদের সহ মমতা বন্দোপাধ্যায়কেও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে শয়তান বলে কটাক্ষ করেছেন দ্বিতীয় বারের জন্য নব নির্বাচিত বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
এদিন মিলনির মাঠে অভিনন্দন যাত্রার মঞ্চ থেকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা ৩৭০ এবং ৩৫ এর এ ধারা তুলে দিয়েছি। তিন তালাক রোধ করেছি। বিল পাস করে সংশোধিত আইন রুপায়ন করেছি। দরকার হলে পাক অধিকৃত কাশ্মীরও নিয়ে নেব। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই তৃণমুল ক্ষমতায় রয়েছে।"
অভিনন্দন যাত্রার সভামঞ্চ থেকে শরনার্থী এবং উদবাস্তুদের পাশে দাঁড়িয়ে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, এদের জন্য বিজেপি ছাড়া কোন রাজনৈতিক দল রাস্তায় নামে নি। শরনার্থী, উদবাস্তুদের তৃণমুল ভোটার করে রেখেছে, কিন্তু নাগরিক করে নি। একমাত্র বিজেপি তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য আইন করেছে। হিন্দু শরনার্থীদের হয়ে কথা বলায় দিদির রাগ হচ্ছে। তিনি বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক তকমা দিচ্ছেন। দিলীপ বলেন, "হিন্দু শরনার্থীদের জন্য আমরা সাম্প্রদায়িক হই, তাহলে স্বীকার করছি আমরা সাম্প্রদায়িক।"

No comments:
Post a Comment