রাজভবনে দুই সরকারের মোদি-মমতা বৈঠক নিয়ে বামেরা রাজনীতির রং কি করে লাগাল দেখুন - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 11 January 2020

রাজভবনে দুই সরকারের মোদি-মমতা বৈঠক নিয়ে বামেরা রাজনীতির রং কি করে লাগাল দেখুন





দুই সরকারের বৈঠককে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে রাজনীতি করার ধারা অব্যাহত রাখল বামেরা। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতায় আসার পর রাজভবনে সিএএ বিক্ষোভের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবনে এদিন মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে মমতা বললেন, ‘‘সিএএ,এনআরসি নিয়ে আপনারা ভাবুন ফের। আমি বলেছি, সিএএ-এনআরসি বাতিল করা হোক’’।


ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস তাদের প্রতিবেদনে এদিনের বৈঠক নিয়ে জানিয়েছে রাজভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা আমার সাংবিধানিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, সৌজন্যের মধ্যে পড়ে। রাজ্যের ২৮ হাজার কোটি টাকা পাওনা আছে কেন্দ্রের থেকে। তাছাড়া বুলবুলের ৭ হাজার কোটি টাকা বাকি রয়েছে। রাজ্যের টাকা যেটা আমাদের প্রাপ্য, তা মিটিয়ে দেওয়া হয় যাতে, তা বলেছি’’। এরপরই মমতা বলেন, ‘‘আজ বলেছি, আপনি আমার অতিথি, জানি না বলা ঠিক হবে কিনা, তবুও বলছি, সিএএ, এনপিআর, এনআরসির বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। মানুষে মানুষে বৈষম্য হওয়া উচিৎ নয়। কোনও মানুষের উপর কোনও অত্যাচার যেন না হয়। এটা দেখার জন্য বলেছি। সিএএ-এনআরসি নিয়ে আপনারা ভাবুন ফের। আমরা চাই সিএএ-এনআরসি বাতিল হোক’’।

মমতা-মোদি বৈঠক নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে তৃণমূল। এদিন তৃণমূলের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, ‘‘এটা সরকারের সঙ্গে সরকারের বৈঠক। কারও থেকে তৃণমূলের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। আমরাই এই আন্দোলন শুরু করেছিলাম। এখন এটা জনতার আন্দোলন। কটা মিছিলে হেঁটেছেন আপনারা? কটা বিক্ষোভ করেছেন? সোফায় বসে পরামর্শ দেওয়া বন্ধ করুন’’।


এ প্রসঙ্গে মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘‘দিনে দিনে বাড়ল দেনা ওঁর। বাইরে এক কথা বলেন, ভিতরে আরেক কথা বলেন। অতীতেও আমরা দেখেছি এটা। শীতকালে যাত্রা বেড়ে যায়। যাত্রাশিল্পী হিসেবে নাম লেখানো উচিৎ ওঁর। দেনা নিয়ে অর্থমন্ত্রী, অর্থসচিবের সঙ্গে কথা বলতে হয়, তাঁদের বাদ দিয়ে একান্তে আলোচনা হয় না’’।

উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় মোদির সঙ্গে মমতার বৈঠককে চরম নিশানা করেছিল বিরোধীরা। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে বাঁচাতেই মোদির কাছে মমতা গিয়েছিলেন, বলে অভিযোগ করেছিল বিরোধীরা। এদিকে, সিএএ বিরোধিতায় যখন সোচ্চার মমতা, এমন আবহে মোদির সঙ্গে তৃণমূলনেত্রীর বৈঠককে একহাত নিয়েছে বাম-কংগ্রেস।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad