ধারা অব্যাহত রাখলেন তিনি। সেই আবার বিতর্কিত মন্তব্য। "সিএএ-এর অযুহাতে প্রতিবাদ বিক্ষোভের নামে সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করলে ছেড়ে দেব না। এখানে আসবে, থাকবে, খাবে, এখানকার সম্পত্তি নষ্ট করবে জমিদারি পেয়েছে নাকি? লাঠিও মারব, গুলিও মারব, জেলেও ঢুকিয়ে রাখব।" রবিবার সন্ধ্যায় নদিয়ার রানাঘাটে অভিনন্দন যাত্রা শেষে জনসভা থেকে এই হুঁশিয়ারি দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তিনি আরও বলেন, ‘এই রাজ্যে একটাও গুলি চলেনি, লাঠি চলেনি, এফআইআর হয়নি। কাউকে গ্রেপ্তার করেনি মমতার পুলিশ। কিন্তু কেন করেনি? কারও বাপের সম্পত্তি নাকি? মানুষের করের টাকায় রেল-বাস, রেললাইন, রাস্তা করা হয়। সে সব নষ্ট করে দিয়েছে। অসম, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটকে এই শয়তানদের আমাদের সরকার গুলি করে মেরেছে কুকুরের মত। তুলে নিয়ে গিয়ে কেস দিয়েছে। আমরাও তাই করব।"
তার সংযোজন, ‘যারা হিন্দু বিরোধিতা করছে, বাঙালি বিরোধিতা করছে, তাদের চিনে রাখুন। সারা ভারতে দু’কোটি মুসলমান অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। তার মধ্যে এই রাজ্যে রয়েছে এক কোটি। তাঁদের ভোটের জন্য দিদিমণি রাস্তায় হেঁটে বেড়াচ্ছেন।’ জোর গলায় তিনি জানান, এতে কোনও লাভ হবে না, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সব আসন পাবেন।
মুখ্যমন্ত্রী কেও এদিন ছেড়ে কথা বললেন না দিলীপ বাবু। তাঁকে এক্সপায়ারি মুখ্যমন্ত্রী বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে আসা কুড়ি হাজার মানুষ জেলে রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, সবাই নাগরিক। তাহলে বিদেশি আইনে যারা জেলে আটকে রয়েছেন, তারা নাগরিক নন?’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, ‘যারা সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে দিচ্ছে, ভোটার বলে কিছু করছেন না? আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুরোদ নেই কিছু করার।’ এরই সাথে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফর ঘিরে, গতকাল যে সভা ইন্ডোরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে নিমন্ত্রিত থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন মমতা। সে প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রীকে কামান দাগান বঙ্গ বিজেপি সভাপতি।

No comments:
Post a Comment