এমন কিছু খাবার আছে, যা খেলে মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ ও মান বাড়তে পারে।
মেথি বা ফেনুগ্রিক : দেশ-বিদেশের পরীক্ষা বলছে, মেথির বীজে রয়েছে গ্যাল্যাকটোগোগেস। এই রাসায়নিক উপাদান দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
মৌরি বা ফিনেল : মেথির মতো মৌরিও মাতৃদুগ্ধের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত মৌরি খেলে হজমক্ষমতা বাড়ে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর হয়।
রসুন বা গার্লিক : রসুন মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়। দেখা গেছে, যেসব মা সন্তান জন্মানোর পর প্রতিদিন রসুন খান, অনেকদিন পর্যন্ত স্তন্যপান করাতে পারেন সন্তানকে।
জিরে বা কিউমিন : এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। ফলত, অনেকবেশি পরিমাণ মাতৃদুগ্ধ তৈরিতে সাহায্য করে জিরে।
তিল বা সেসামে : কালো-সাদা দু ধরনের তিলেই ক্যালশিয়াম ও তামা ভরপুর। রয়েছে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস। বাচ্চা ও মায়ের জন্য খুবই লাভদায়ী।
জোয়ান বা ক্যারম : দুপুরে খাওয়া শেষে জোয়ান খান অনেকে। হজমশক্তি বাড়ায়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এছাড়া স্তন্যপানে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ে।
ওটস : ব্রেকফাস্ট হিসেবে ওটসের কোনও বিকল্প নেই। ওটসে আছে ক্যালশিয়াম এবং আয়রন। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়়ায়।
সবুজ সবজি : লাউ, উচ্ছের মতো সবুজ সবজি মায়ের স্বাস্থ্যের জন্যে খুব ভালো। সহজপাচ্য খাবারগুলি মাতৃদুগ্ধের উৎপাদনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
লাল সবজি : মিষ্টি আলু, গাজর, বিট ও লাল শাক বেটা ক্যারোটিনে ভরপুর। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। লিভারকে ভালো রাখে, রক্তাল্পতা হতে দেয় না।
ড্রাই ফ্রুটস : দাম বেশি হতে পারে। কিন্তু ড্রাই ফ্রুটসের মতো খাবার মহিলাদের শরীরের জন্য খুব ভালো। বিশেষ করে সদ্য মা হয়েছেন যাঁরা, তাঁদের জন্য দারুণ ভালো।
সন্তান জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শুধু মায়ের দুধই খাওয়ান, অন্য কিছু নয়, বলেন চিকিৎসকরা।
সূত্র: বিডি টিপস্

No comments:
Post a Comment