নীল চা পানের যত ভালো দিক - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 24 January 2020

নীল চা পানের যত ভালো দিক





বাজারে এখন নানান রঙের চায়ে সয়লাব। গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি, রেড টি, আরও কত কী! তবে এ সবকিছুর চেয়ে গুণে ও মানে সেরা হচ্ছে নীল চা। অপরাজিতা ফুল দিয়ে তৈরি হয় এ চা।

নীল অপরাজিতা ফুল, ক্লিটোরিয়া টারনেটি থেকে তৈরি হয় ব্লু টি তথা নীল চা। এ ফুলকে এশিয়ান পিজিয়ন উইঙ্গস বা ব্লুবেলভাইনও বলা হয়ে থাকে। ব্লু টির ব্যবহার শুরু হয় মূলতঃ দক্ষিণ পূর্ব এশীয় দেশগুলোতে। এর মধ্যে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম উল্লেখযোগ্য। লেবুর রস ও মধু দিয়ে এটি পান করা হয়।

অন্যান্য চায়ের মতো এটিও আপনাকে দিনভর চাঙা রাখবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, এ চায়ে আছে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান।

এ ছাড়া আরও বেশ কিছু স্বাস্থ্যগুণ আছে নীল চায়ে। আসুন, জেনে নিই-

• এই চায়ে রয়েছে ক্যাটেচিন, যা পেটের মেদ কমাতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

• এই চায়ের অ্যান্টি গ্লাইকেশন বৈশিষ্ট্য আছে বলে দাবি করা হয়। এটি ত্বকের জন্যে দারুণ উপকারী। তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে।

• এই চায়ের ঘ্রাণ মেজাজ ভালো করে দেয়। নীল চা পান করলে স্ট্রেস দূর হয়।

• নীল চা লিভারের জন্য ভালো, রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে পারে এমন দাবি করেন কেউ কেউ। অবশ্য তা এখনও প্রমাণিত সত্য বলে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি। নীল চা সাধারণ চা ও কফির চেয়ে স্বাস্থ্যকর।

• অ্যান্টি অক্সিডেন্টের গুণে ভরপুর নীল চা শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে তোলে।

• এ বিষয়টি এখনও পরীক্ষিত নয়, তবে দাবি করা হয় ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে নীল চা।

• সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে এককাপ নীল চা অনেক উপকার করতে পারে।

• এমনকী ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে নীল চা। এর মধ্যে থাকা একাধীক উপকারী উপাদান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

সাবধানতা
তাই বলে যে নিশ্চিন্তে ইচ্ছেমতো কেবল নীল চা পান করতে পারবেন তা নয়। যদিও নীল চায়ের সাথে সম্পর্কিত কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে, হোম ট্রিমেজস বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, নীল চা তৈরির বীজ বা পাতা থেকে ডায়রিয়া ও বমিভাব হতে পারে।

গর্ভবতী মহিলাদের নীল চা খাওয়া উচিৎ হবে না। কারণ তাদের ওপর এই চায়ের কি প্রভাব পড়তে পারে সে সম্পর্কে খুব কম তথ্য রয়েছে। তবুও, খাওয়ার পর যদি কোন অস্বস্তি বা অন্যান্য লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।







সূত্র: দি বাংলাদেশ টুডে

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad