পুরুষাঙ্গ নিঃসৃত তরল সম্পর্কে কিছু অজানা কথা, যা জানা উচিৎ সকলের - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 25 January 2020

পুরুষাঙ্গ নিঃসৃত তরল সম্পর্কে কিছু অজানা কথা, যা জানা উচিৎ সকলের





গবেষকরা ল্যাবরেটরিতে টেস্টটিউবে কাচের মধ্যে গবেষণা করে দেখেগেছে যে, শুক্র ব্যতীত অন্যান্য যেসব উপাদান বীর্যে পাওয়া যায় তার ৯০ শতাংশই তরল জল জাতীয় উপাদান। এছাড়াও বীর্যে থাকে সুগার বা গ্লুকোজ, যা কি না শুক্রাণুর কার্যকারিতা ও বলিষ্ঠতার জ্বালানি স্বরূপ। বীর্যে আরও থাকে ক্ষারীয় উপাদান। প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের কিছু পরিমাণ এনজাইম ও কিছুমাত্রায় ভিটামিন সি, কিঙ্ক এবং থাকে কোলেস্টেরল।

দেহের বীর্য সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি অন্যান্য দশ বারোটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মতোই সাধারণ।এটি তৈরিতে বিশেষ রকমের খাদ্য উপাদানের সরবরাহের প্রয়োজন হয় না। আসল কথা হল বীর্যের সাথে খাবারের কোন প্রত্যক্ষ বা ডাইরেক্ট সম্পর্ক নেই। যদি এ জাতীয় কোন ধরনের সম্পর্ক থাকতো, তবে ডাক্তারগন প্রজনন বা সন্তান উৎপাদনে অক্ষম পুরুষদেরকে বেশি বেশি খাদ্য খেতে উপদেশ দিতেন।

আমাদের দেহে প্রতিনিয়ত দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা বীর্য তৈরি হচ্ছে, আর তা সাময়িকভাবে সেমিনাল ভেসিক্যালে জমা থাকছে। ধারণক্ষমতা পূর্ণহবার পরে এর বাড়তি অংশ যৌন সঙ্গম বা মাস্টারবেশন প্রক্রিয়া ও স্বপ্নদোষের মাধ্যমে তা বেরিয়ে যায়।

একটা কথা সবারই মনে রাখা দরকার যে, দেহের মাঝে বিরতিহীনভাবে বীর্য সংশ্লেষণ ঘটছে স্খলনের উদ্দেশ্যে, জমা বা সঞ্চিত থাকার জন্য নয়। বীর্য নির্গমন যে প্রক্রিয়াই ঘটুক না কেন, তা মানব দেহের উৎপাদন কর্মকান্ডকে সচল, সবল আর গতিশীল রাখে। কাজেই স্বাভাবিক সেক্স সঙ্গম বা নিদ্রার মধ্যবর্তী স্বপ্নদোষ বা যে কোনভাবেই হোক না কেন, বীর্যস্খলন বা বীর্যপাত ক্ষতিকারক নয় বরঞ্চ স্বাস্থ্যসম্মত। তবে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত করা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতি কর।






সূত্র: স্বাস্থ্য কথা

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad