এমন মিষ্টি দেখতে পাখিটি নিজের শরীরে ভয়ঙ্কর বিষ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 11 January 2020

এমন মিষ্টি দেখতে পাখিটি নিজের শরীরে ভয়ঙ্কর বিষ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে





পাখি সৌন্দর্য আর শান্তির প্রতীক। কাক, পেঁচা আর শকুন জাতীয় পাখি ছাড়া অধিকাংশ পাখিকেই মানুষ পছন্দ করে। কিন্তু যদি পাখির বিষ থাকত? তাহলে ওর মতো ভয়ংকর প্রাণী হয়তো দ্বিতীয়টি আর মিলত না পৃথিবীতে। কারণ বিষের সাথে খানিকটা বুদ্ধি আর উড়তে পারার দক্ষতা মিশলে বিভীষিকার আরেক নাম হয়ে উঠত পাখি। কিন্তু আদৌ কি কোন বিষাক্ত পাখি আছে?


আমার, আপনার কথা বাদই দিলাম পৃথিবীর কজন মানুষ জানে বিষাক্ত পাখিও রয়েছে আমাদের এই চেনা জগতে? এমন নয় যে এই পাখিরা হুট করেই বিষাক্ত হয়ে গেছে। বরং শত শত বছর ধরেই এরা বিষধর বৈশিষ্ট্য নিজেদের ভেতর লালন করে আসছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের চোখ এড়িয়ে গেছে এটাই আশ্চর্যের বিষয়!


শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, পৃথিবীর তিন প্রজাতির পাখি নিজেদের শরীরে বিষ বহন করে। অন্তত Extrime Bird নামের একটি পাখি গবষণা বিষয়ক সংস্থা তাদের ওয়েব সাইটে জানাচ্ছে সেকথা। ১৯৮৯ সালে জ্যাক ডামবাখার নামের এক জীব বিজ্ঞানী পাপুয়া নিউগিনিতে সর্বপ্রথম পাখির বিষধর স্বত্বা আবিষ্কার করেন। সেই পাখিটির নাম হুডেড পিটোহুই (Hooded Pitohui)। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তিন প্রজাতির বিষধর পাখিদের মধ্যে এর বিষই সবচেয়ে বেশি। হুডেড পিটোহুই- এর বিষ কিন্তু কম তীব্র নয়। কয়েকফোঁটায় ইঁদুর মারা যায়। হুডেড পিটোহুই বৈজ্ঞানিক নাম Pitohui dichrous।

পাখিদের তো দাঁত নেই, তাহলে কোথায় থাকে তাদের বিষ! হুডেড পিটোহুই ঠোঁট ও নখ তো বিষাক্তই, সেই সাথে এদের প্রত্যেক পালকের গোঁড়ায় গোঁড়ায় থাকে বিষ। ধারণা করা হয় Choresine নামের পোকা হুডেড পিটোহুইদের প্রিয় খাদ্য; তাদের মাধ্যমেই এরা বিষাক্ত হয়ে ওঠে।






সূত্র: সবকিসু

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad