স্ত্রী সহবাসের পর সকলকে স্নান করতে হবে। এটি খুব জরুরী কাজ। স্নানের সময় সারা শরীরে জল ঢালবে। সামান্য স্থানও যেন শুকনা না থাকে। কেননা, সহবাসের সময় যে বীর্যপাত হয়ে থাকে, তা সমস্ত শরীর থেকেই হয়ে থাকে। বীর্য শরীরের মূল উপকরণ, যা সমস্ত শরীর হতে নিঃসৃত হয়ে কোমরের পথ দিয়ে এসে যৌনাঙ্গে দিয়ে বের হয়।
এ বীর্য বের হওয়ার দ্বারা শরীর অনেক দুর্বল হয়ে যায়। আর যেহেতু বীর্য শরীরের সকল অঙ্গ থেকে এসে থাকে সেহেতু স্নানের সময় সমস্ত শরীর জল দিয়ে ধুতে হয়।
দ্বিতীয় রহস্য : সহবাসের দ্বারা শরীরে দুর্বলতা, ক্লান্তি, অলসতার ভাব দেখা দেয়।
আর স্নানের দ্বারা এসব দূর হয়ে যায়। সে সাথে অন্তরে শক্তি, প্রফুলতা, আগ্রহ ও উদ্দিপনা সৃষ্টি হয়।
তৃতীয় রহস্য : সহবাসের পর মানুষের অন্তরে একপ্রকার অস্থিরতা ও সংকীর্ণতা থাকে। আর এটা কেবল স্নানের দ্বারাই দূর হয়ে থাকে। বিনা স্নানে খাওয়া-দাওয়া করা ও অধিক সময় অবস্থান করা অস্বস্তি সৃষ্টি করে।
চতুর্থ রহস্য : সহবাসের পর স্নান করলে সহবাসের ক্ষয়কৃত শক্তি ও উদ্দিপনা পুনরায় ফিরে আসে এবং দুর্বলতা দূর হয়ে যায়। সহবাসের পর স্নান করা শরীর ও আত্মার জন্য খুবই উপকারী।
পঞ্চম রহস্য : সহবাসের দ্বারা বীর্যপাত হলে শরীরের সমস্ত ছিদ্র খুলে যায়।
এতে সে ছিদ্র দিয়ে ঘাম বের হওয়ার সাথে সাথে শরীরের দুর্গন্ধযুক্ত সারাংশও বের হতে থাকে। আর সে দুর্গন্ধযুক্ত সারাংশ লোম ও ছিদ্রের মুখে এসে থেমে যায়। সুতরাং স্নানের মাধ্যমে সমস্ত শরীর পরিষ্কার করা না হলে রোগ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। সেহেতু সহবাসের পর স্নান করা সকলের জন্যই আবশ্যক। আর সহবাসে হোক, আর স্বপ্নদোষে হোক কিংবা অন্য কোন পদ্ধতিতে বীর্যপাত হয়ে থাকুক।
(সংগৃহীত)

No comments:
Post a Comment