অ্যানাকোন্ডা সম্পর্কে অবাক করা কিছু কথা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 15 January 2020

অ্যানাকোন্ডা সম্পর্কে অবাক করা কিছু কথা




অ্যানাকোন্ডার শিকার ধরার পদ্ধতি অন্যান্য সাপের মত নয়। এটি তার শিকারকে ছোবল দেয় না(যদিও ছোবল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বড় বড় দাঁত রয়েছে! এটি তার শিকারকে পেঁচিয়ে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে ফেলে।এরপর আস্তে আস্তে পুরো শরীরটাই গিলে নেয়।

অ্যানাকোন্ডার মূলতঃ চার প্রকারের প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। ডার্ক স্পটেড অ্যানাকোন্ডা, হলুদ অ্যানাকোন্ডা, সবুজ অ্যানাকোন্ডা, বলিভিয়ান অ্যানাকোন্ডা।

সবুজ অ্যানাকোন্ডা (অ্যানাকোন্ডা সাপের প্রধান প্রজাতি) হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ। এটি সর্বোচ্চ ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং এর ওজন হতে পারে ২২৭ কেজি পর্যন্ত।

একটি পূর্ণবয়স্ক ভেড়া/ছাগল/শুকর খাওয়ার পর একটি অ্যানাকোন্ডা প্রায় এক মাস না খেয়ে থাকতে পারে। এর মাঝে এর খাবারের প্রয়োজন পড়ে না।

যদি শিকার খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে একটি অ্যানাকোন্ডা বড় একটি শিকারের পর অন্যকিছু না খেয়েও প্রায় ১ বছর কাটিয়ে দিতে পারে।

অ্যানাকোন্ডা জলের নিচে একটানা ১০ মিনিট পর্যন্ত দম না নিয়ে থাকতে পারে! এরপর অক্সিজেনের প্রয়োজনে একে জলের উপরিভাগে চলে আসতে হয়।

মেয়ে অ্যানাকোন্ডা পুরুষ অ্যানাকোন্ডার চেয়ে সাইজে বড় হয়।

অন্যান্য সাপের সাথে অ্যানাকোন্ডার আরও একটি জায়গায় অমিল রয়েছে। অন্যান্য সাপ যেখানে ডিম পাড়ে(পাইথন, কোবরা, ইত্যাদি) সেখানে অ্যানাকোন্ডা সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়! একটা মেয়ে অ্যানাকোন্ডা একসাথে ২৫-৩০টি বাচ্চা প্রসব করতে পারে।

একটি বাচ্চা অ্যানাকোন্ডা জন্মের সময়ই ২ ফুট লম্বা হয়ে থাকে এবং সাতার কাটার পারদর্শী হয়। শুধু তাই নয়, এরা জন্মের সাথে সাথে শিকার ধরা শুরু করতে পারে।

একটি অ্যানাকোন্ডা দিনে ২০ কেজি পর্যন্ত খাবার গিলতে(খেতে) পারে।

অ্যানাকোন্ডা মানুষকে এড়িয়ে চলে। এমনকি মানুষের গাঁয়ের গন্ধ পেলেই তারা লুকিয়ে পড়ে! মানুষ তাদের চামড়া এবং দাঁতের দামের জন্য গভীর বনে ঢুঁকে অ্যানাকোন্ডা শিকার করে।








সূত্র: বিডিআপ24

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad