পরিমিত এক্সারসাইজের সঙ্গে স্বাভাবিক খাদ্যাভাস মানসিক চাপ কমাতে, স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া চালু রাখতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ কমাতে যেমন ইয়োগা বা মেডিটেশনের প্রয়োজন হয়, শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার জন্যেও কিছু উপকারী খাদ্য উপাদানের প্রয়োজন হয়। যা অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যাকে দূর করতে সাহায্য করে।
তিলের বীজ
পিরিয়ডের সময় তলপেটের ব্যথা কমাতে তিলের বীজের পানীয় পান করতে হবে। এছাড়া এই পানীয় দেরিতে পিরিয়ড হবার সমস্যা দূর করে।
পানীয়টি তৈরিতে এক কাপ জলে এক চা চামচ তিলের বীজ মিশিয়ে উচ্চতাপে ফুটিয়ে ১/৪ কাপ জলে আনতে হবে। আধা চা চামচ গুঁড়ের এই পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে হবে।
আমলকী
ভিটামিন-সি তে পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক এই ফলটির রস মাত্রাতিরিক্ত রক্তপাতের সমস্যা কমায়। এছড়া পিরিয়ডের ফলে মাথা ঘোরাভাব ও বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাও প্রতিহত করে।
পাঁচ-ছয়টি বড় সাইজের আমলকীর রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।
দই ও মধুর পানীয়
অতিরিক্ত রক্তপাতের সঙ্গে প্রচন্ড পেটেব্যথা কমাতে দই ও মধুর পানীয় পান করতে হবে। দুইটা টেবিল চামচ দই, এক চা চামচ মধু ও স্বাদের জন্য এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে অল্প জল যোগ করে পানীয়টি তৈরি করে পান করতে হবে।
উপকারী সবজী ও ফল
প্রাকৃতিক সকল সবজী ও ফল স্বাস্থ্যের জন্য নিশ্চিতভাবে উপকারী। তবে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা ও পিরিয়ডের উপসর্গ কমাতে কিছু বিশেষ সবজী ও ফল খাওয়া প্রয়োজন।
সবজী: গাজর, বিটরুট, ব্রকলি, পালং শাক।
ফল: কাঁচা পেঁপে, আপেল ও আনারস।
পুদিনা ও ধনিয়া পাতা
পুদিনা ও ধনিয়া পাতার মিশ্রণ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং পিরিয়ডের সময় কে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।
লবণ, বিটলবণ, আদা, রসুন, কাঁচামরিচের সঙ্গে পুদিনা ও ধনিয়া পাতা মিশিয়ে চাটনি তৈরি করতে হবে। এই চাটনি প্রতিদিন খেতে হবে।

No comments:
Post a Comment