পাতকুঁয়া মিস্ত্রীর প্রচেষ্টায় অবশেষে জলের নিচে থেকে উদ্ধার হল যুবকের মরদেহ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 28 December 2019

পাতকুঁয়া মিস্ত্রীর প্রচেষ্টায় অবশেষে জলের নিচে থেকে উদ্ধার হল যুবকের মরদেহ


                                                                                                                  প্রতীকী ছবি


কূপে পড়ে যাওয়ার পর যুবককে উদ্ধারের জন্য দফায় দফায় চেষ্টা চালিয়েছেন দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং ডুবুরিরা। তার পরেও শেষ পর্যন্ত তারা সফলতার মুখ দেখতে পাননি। অবশেষে পাতকুঁয়ার মিস্ত্রি মেঘনাদ সর্দারকে ডেকে এনে পড়ে যাওয়ার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর আজ শনিবার সকালে উদ্ধার করা হয় বাঁশদ্রোণীর যুবক সম্রাট সরকার ওরফে বাপির (২৯) মরদেহ।

কলকাতা পুলিশ বলছে, ওই পাতকুঁয়া মিস্ত্রিকে সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ দেওয়া হবে। অন্যদিকে, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

এদিকে মৃতের পরিবারের অভিযোগ, পাতকুয়ার মিস্ত্রিকে যদি আগে আনা হত, তাহলে তাদের ছেলেকে বাঁচানো সম্ভব হত। কেন ডুবুরি নামানোর পরেও যুবককে উদ্ধার করা গেল না, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাড়ির সামনের একটি কুয়ায় স্নান করতে গিয়েছিলেন বাঁশদ্রোণীর সোনালি পার্ক এলাকার বাপি। ওই সময় কোন ভাবে পিছলে কুঁয়ায় পড়ে যান তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, বাপি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মাঝে মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়তেন। স্নান করার সময় অসুস্থ হয়েই কুঁয়ায় পড়ে যান তিনি।

বাপিকে উদ্ধার করতে ডাকা হয় দমকল বাহিনীকে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও নিয়ে আসা হয়। নামানো হয় ডুবুরি। পাতকুঁয়া থেকে জল বার করে বাপিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়। যেহেতু কুঁয়া নিচু জায়গায় ছিল, সে কারণে জল বের করতে করতেই আবার জলের স্তর বেড়ে যাচ্ছিল।

রাতভর চেষ্টা চালিয়ে চার বার ডুবুরি নামিয়েও উদ্ধার করা যায়নি ওই যুবককে। অবশেষে শনিবার সকালে ডাক পরে কুঁয়ামিস্ত্রির। সময় যত গড়াচ্ছিল বাপি বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়ে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা বাড়ছিল। আশঙ্কাটা শেষ পর্যন্ত সত্য হওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ওই এলাকায়।





সূত্র: কালের কণ্ঠ

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad