আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন ভূমিপুত্র হেমন্ত সোরেন, অনুষ্ঠানের মধ্যমণি থাকছেন বাংলার মমতা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 28 December 2019

আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন ভূমিপুত্র হেমন্ত সোরেন, অনুষ্ঠানের মধ্যমণি থাকছেন বাংলার মমতা





রাঁচি, ২৮ ডিসেম্বর - লড়াই কঠিন ছিল। কিন্তু গেরুয়া শিবিরের প্রবল দাপটকে হারিয়ে আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভূমিপুত্র হেমন্ত সোরেন। রবিবার তিনি দেশের কনিষ্ঠতম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কারা, সেই অতিথি তালিকা নিয়ে এখন থেকেই বেশ গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে।

গত ২৩ তারিখ ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেস, জেএমএম, আরডেজি জোটের জয়ের রাস্তা প্রশস্ত হতেই ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্তকে ট্যুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর রবিবার হেমন্ত সোরেনের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজই রাঁচি রওনা হয়েছেন তিনি। মমতার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা বিভিন্ন অবিজেপি দলের নেতাদেরও। সূত্রের খবর, আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেছে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, নেতা রাহুল গান্ধীর কাছে। পাশাপাশি হেমন্ত তাঁর শপথ অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এনসিপি নেতা শরদ পওয়ার, বিএসপি নেত্রী মায়াবতী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীদের। রবিবার রাঁচিতে কারা এসে হাজির হবেন, তা অবশ্য এখনই বলা যাচ্ছে না। মায়াবতী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের উপস্থিতি নিয়ে সংশয় থাকলেও প্রণব মুখোপাধ্যায় হাজির থাকবেন বলেই এখনও সূত্রের খবর।

তবে রবিবার হেমন্ত সোরেনের শপথ অনুষ্ঠান অন্যদিক থেকেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। ২৩ তারিখ ঝাড়খণ্ড বিধানসভার ফলাফল প্রকাশিত হতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে সমমনোভাবাপন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে এক সারিতে এনে প্রতিবাদে আরও শান দিতে অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তখনই বোঝা গিয়েছিল, বিজেপি বিরোধী আন্দোলনে ফের প্রথম সারিতে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এখন রাঁচিতে হেমন্ত সোরেনের শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চ CAA-NRC বিরোধী আন্দোলনকে জোরদার করার একটা সুযোগ। সেই সুযোগ হয়ত হাতছাড়া করতে চাইবেন না বিজেপি বিরোধী কোনও দলই। তাই মমতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে শরদ পওয়ার কিংবা সোনিয়া-রাহুলের উপস্থিতি বাড়তি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে, রাজ্যের প্রশাসক হিসেবে প্রথম কুর্সিতে বসে দেশের সর্বকনিষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রীও নিজের কাজকর্মের রূপরেখা সহজে স্থির করতে পারবেন বলেও আশা অনেকের। সেসব দিক থেকেই আগামিকাল রাঁচির শপথ মঞ্চের দিকে তাকিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক মহল।







সূত্র: দেশবিদেশ

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad