বিবাহ বন্ধন সাত জন্মের বন্ধন। তবে, এই কথা আজ অতীত। আজকালকার সম্পর্কগুলো কেমন যেন ঠুনকো হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক ঝগড়া অশান্তি সম্পর্কের মাঝে ভিলেন হয়ে দাঁড়ায়, তা সত্ত্বেও কিছু সাধারণ ঘটনাও সম্পর্কে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে থাকে। এইজন্য হয়ত দায়ী আমাদের চলমান জীবনের কাজের চাপ, হতাশা, পরিমিত ধৈর্য্যর অভাব। আর এর জেরে ক্রমশই সম্পর্কের মাঝে ফাটল ধরে, যার পরিনামে বিবাহ বিচ্ছেদের মত ঘটনার জন্ম হয়। তবে আজকের এই বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ জানলে চোখ কপালে উঠবে। যদিও ঘটনাটি কিছুদিনের পুরোনো, কিন্তু প্রকাশ্যে আসার পর বেশ হৈচৈ ফেলে দেয় ঘটনাটি। আসুন জেনে নেওয়া যাক আসলে কি কারণ এই বিচ্ছেদের মামলার।
স্বামী টানা এক সপ্তাহ ধরে স্নান করেনি ও দাড়ি কামায়নি, এই অভিযোগে মধ্যপ্রদেশের এক ২৩ বছর বয়সী নারী বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করলেন। চলতি বছরেই বিয়ে হওয়া এই দম্পতিকে টানা ৬ মাস আলাদা থাকার নির্দেশ দিয়েছে ভোপাল হাইকোর্ট। তারপরই তাদের বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন গ্রাহ্য হবে বলে জানান এক আইনজীবী।
আদালতের ওই আইনজীবী শাহিল অবস্তী সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, "ভোপালের পরিবার আদালতের বিচারপতি আর এন চাঁদ ওই দম্পতিকে ৬ মাস আলাদা থাকার নির্দেশ দিয়েছেন"। ওই ২৩ বছর বয়সী মহিলা এবং তার ২৫ বছর বয়সী স্বামী একইসঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন বলে জানান তিনি। ওই মহিলা অভিযোগে লেখেন, টানা ৭-৮ দিন স্নান না করে, দাড়ি না কামিয়ে থাকেন তার স্বামী। তাই তার পক্ষে 'এমন পুরুষের সঙ্গে থাকা সম্ভব নয়'।
শাহিল অবস্তী বলেন, খুব তুচ্ছ বিষয়েও এখন মহিলারা স্বামীর থেকে বিচ্ছেদ চেয়ে বসছেন। এই মহিলার অভিযোগ, তার স্বামীর শরীর থেকে ভয়ঙ্কর দুর্গন্ধ বেরোয়। তার আরও অভিযোগ, যখনই তিনি স্বামীকে স্নান করতে বলতেন, তখনই, স্নান করার বদলে তার স্বামী গায়ে সুগন্ধী লাগিয়ে নিতেন।
২০১৬ সালে এমনই একটি ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে উত্তরপ্রদেশের মীরাট থেকে। ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, তিনি দাড়ি না কামালে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন!
সূত্র: নয়া দিগন্ত

No comments:
Post a Comment