আপনি কি যখন তখন হেসে ফেলেন? ঠাট্টা নয়, হতে পারে ভয়ঙ্কর কিছু - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 7 December 2019

আপনি কি যখন তখন হেসে ফেলেন? ঠাট্টা নয়, হতে পারে ভয়ঙ্কর কিছু





পরিস্থিতি হয়তো খুব গুরুগম্ভীর। কথা নেই, বার্তা নেই, হেসে ফেললেন আপনি। আশেপাশে লোকজন আপনাকে দেখছে বুঝতে পেরেও চাপতে পারছেন না হাসি। উলটে আরও জোরে হেসে ফেললেন।

এরকমটা আপনার সঙ্গে প্রায়ই হয়? আপনি একা নন, এরকমটা কিন্তু আকছার ঘটে আপনার চারপাশে থাকা অনেকের সঙ্গেই। একে বলে নার্ভাস লাফটার।

সম্প্রতি হলিউডের একটি সিনেমা সাড়া ফেলেছে সারা বিশ্বে, ‘জোকার’। সেখানেও এই সমস্যাটির সম্পর্কেই কথা বলা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জোকুইন ফিনিক্স আর্থার ফ্লেক এই সমস্যায় ভুগতেন। এই হঠাৎ হেসে উঠলেন, এই আবার কেঁদে ফেললেন।


চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষায় এর নাম শিউডোবালবার এফেক্ট। এই রোগে মানুষ সামাজিক প্রেক্ষিতের ভিত্তিতে নিজের হাসি, কান্না, আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না।

তবে শিউডোবালবার এফেক্ট ছাড়াও বেশ কিছু কারণে নার্ভাস লাফটার হতে পারে, সেরকম কিছু কারণ উল্লেখ করা হল নীচে।

হাইপারথায়রয়েডিজম
হাইপারথায়রয়েডিজমের কারণে অনেক সময় নার্ভাস লাফটার হয়ে থাকে। থায়রয়েড গ্রন্থিতে টি-৩, টি-৪ বেড়ে গেলে এই সমস্যা হতে পারে। দেহের বিপাকের হার স্বাভাবিক রাখার জন্য এই হরমোন খুব জরুরি।

গ্রেভস ডিজিজ
ইমিউন সিস্টেম যখন প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, তখন থায়রয়েড গ্রন্থির উত্তেজনা বেশি হলে প্রয়োজনের থেকে বেশি হরমোন তৈরি হয়। তাতে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হয়। এর ফলেই নার্ভাস লাফটার হতে পারে।

কুরু
প্রায়ন নামের একটা অস্বাভাবিক প্রোটিন যখন মস্তিষ্কে চলে যায়, কিছু অস্বাভাবিকত্ব লক্ষ্য করা যায়। মস্তিষ্কের সেরিবেলামের ওপর এর প্রভাব পড়ে। ফলে, হাসি-কান্না, নানা আবেগের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ হারায়।


সূত্র: বিডিটি

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad