গাঁটছড়া বাঁধার আগে এই লেখাটিতে চোখ বুলিয়ে নিন, উপকারই পাবেন - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 7 December 2019

গাঁটছড়া বাঁধার আগে এই লেখাটিতে চোখ বুলিয়ে নিন, উপকারই পাবেন




বিয়েটা হচ্ছে জীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আমাদের দেশে যেহেতু একটার বেশী বিয়ে করার রেওয়াজ নেই, তাই অত্যন্ত ভেবে-চিন্তে, হিসাব-নিকাশ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ। একটা ভুল বা খারাপ বিয়ে মানে পুরো জীবনটা নষ্ট।

ধরুন, আপনি মোটামুটি একটা চাকরি করেন, কোন রকমে সংসার চলে যায়। কিন্তু, বিয়ে করে ফেললেন ধনীর দুলালীকে। তার খরচ মেটাতে তখন আপনার জীবন শেষ, সাথে বোনাস হিসাবে লাঞ্ছনা, গঞ্জনা।

আবার স্ত্রী যদি চিররুগ্ন হন, তাহলে জীবনের অনেক কিছুই এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। আমার পরিচিত এক ভদ্রলোক সরকারী চাকরি করতেন। ভালো পজিশনে কাজ করেছেন। কিন্তু, কিছুই জমাতে পারেন নি, কেননা, তার স্ত্রী সারাজীবন অসুস্থ থেকেছেন।

তাই বিয়ে করার আগে তিনটি জিনিস মাথায় রাখুন:

১. বিয়ে করার উপযুক্ত সময় এসেছে কিনা?

২. পারস্পরিক বোঝাপড়া।

৩.বিয়েতে দুজনেই সহমত প্রকাশ করেছেন তো?

এবার অনেকেই আছেন, যারা এই বিষয়গুলো মাথায় রাখেন না। বিয়ে মানেই তাদের কাছে এক ঝলক মুক্ত হাওয়া। সেই মুক্ত হাওয়ার পেছনে যে কারণগুলো থাকে, তা একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

বাবা-মায়ের সঙ্গে আর থাকতে ভালো লাগছে না- বাড়ি ছাড়লেই কিংবা বিয়ে করলেই ঝামেলা মিটবে, আর ফালতু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না, এই ভেবে যদি বিয়ে করেন, তাহলে জীবনের ষোলো আনাই মাটি। বাড়ির মত সুখের আশ্রয় আর হয় না। বাড়িতে মনকষাকষি হলে রাগ দেখানোর জায়গা থাকে। এখানে কিন্তু বিয়ের পর জীবনসঙ্গীর সঙ্গে তেমনটা করা কঠিন।

দেখাশোনা করে বিয়ে- বাবা-মা বা আত্মীয়রা দেখে শুনে বিয়ে দিলে তা খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু ব্যতিক্রম তো থাকেই। বিয়ের আগে সেই মানুষটির সঙ্গে আলাপ পরিচয়ের সে রকম কোনও সুযোগ ছিল না।
পরে দেখলেন মানাতে পারছেন না। তাই এক্ষেত্রে নিজেরা দুজন আগে যাচাই করে নিন, বিয়ের পর একসঙ্গে মানিয়ে থাকতে পারবেন কিনা। এছাড়াও একে অপরকে কতটা পছন্দ করছেন সেটাও জানা জরুরি। জোর করে বিয়ে নয়।

টাকা টাকা আর টাকা- অনেকেই প্রেম করার সময় বা পাত্র নির্বাচনের সময় দেখেন যে, ছেলের টাকা কত আছে। ছেলেরাও তেমনই দেখে, মেয়ের বাবার কত টাকা আছে বা পৈত্রিক সম্পত্তি কেমন আছে।
তাহলে বিয়ের পর বউয়ের সঙ্গে ব্যাংক ব্যালান্সও খানিক বাড়ে। খাওয়া, ঘোরা আর শপিং জীবনের অঙ্গ হতে পারে। দেদার খরচা করে আর শখ আহ্লাদ মিটিয়েই জীবন কেটে যাবে। এই ভাবে কিছুদিন চলবে, তবে সবদিন নয়।

সামাজিক চাপ- সবার বিয়ে হয়ে গেল। বয়স বেড়ে যাচ্ছে। লোকে কি বলবে সে কথায় বেশি কান না দেওয়াই ভালো। শেষপর্যন্ত ঘর সংসার আপনিই করবেন। পড়শি এসে করে দেবে না।

অতএব নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজেই দেখে শুনে নিন। অপরের বাণীকে বেশি পাত্তা দেবেন না।


সূত্র: টিবিটি

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad