বাম-কংগ্রেসের লং মার্চে তাল কাটল হলদিয়ায়। লক্ষ্মণ শেঠকে দেখে উষ্মা প্রকাশ সিটুর রাজ্য সভাপতির। মঞ্চ ছাড়তে বাধ্য হলেন প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ। পূর্ব মেদিনীপুরে লং মার্চ বয়কটের সিদ্ধান্ত ইনটাকের।
একই দাবিতে একসঙ্গে লং মার্চে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস। কিন্তু, সেই কর্মসূচির তাল কাটল পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। সৌজন্যে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে, বিজেপি হয়ে কংগ্রেস যোগ দেওয়া লক্ষ্মণ শেঠ। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরাল হয়ে ওঠে যে, সিটুর রাজ্য সভাপতির আপত্তিতে মঞ্চ ছাড়তে বাধ্য হন একদা সিপিমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই নেতা। পাল্টা পূর্ব মেদিনীপুরে লং মার্চ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন ইনটাক। হলদিয়ার দুর্গাচকে লং মার্চের সূচনা উপলক্ষে, অনুষ্ঠানের মঞ্চ বাঁধা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিটুর রাজ্য সভাপতি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন ইনটাকের তরফে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মণ শেঠ। সূত্রের খবর, প্রাক্তন সতীর্থকে দেখা মাত্রই উষ্মা প্রকাশ করেন সিটুর রাজ্য সভাপতি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, লক্ষ্মণ শেঠ বক্তব্য রাখলে, তিনি মঞ্চ ছাড়বেন। এই কথা কানে আসতেই মঞ্চ ছাড়েন কংগ্রেস নেতা। লক্ষ্মণের বক্তব্য, যখন বিষয়টি জানতে পারি, অনুষ্ঠান মঞ্চ ছেড়ে আসি, কংগ্রেস কর্মীরাও বয়কট করেন। সম্মান জানাতে জানে না। আমরা কোনওভাবেই থাকব না। পাল্টা সিপিএম নেত্রী তাপসী মণ্ডল জানান, পদাধিকারদের ওখানে বক্তব্য রাখার কথা ছিল। তাই কংগ্রেসের জেলা সভাপতি বক্তব্য রেখেছেন। লক্ষ্মণ শেঠ কোনও পদে নেই, তাই হয়ত তাঁকে কিছু বলা হয়নি। সিপিএম ও কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের এই আকচাআকচি দেখে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে তৃণমূল। সারা রাজ্য ঘোরার পর আগামী বুধবার
কলকাতায় শেষ হওয়ার কথা বাম-কংগ্রেসের লং মার্চ। কিন্তু, তার আগে হলদিয়ায় তৈরি হল বিড়ম্বনা।
source https://www.rarebreaking.com/2019/12/lakshman-seth-in-citu-programme-sparks-controversy.html

No comments:
Post a Comment