" বিজেপি ও কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে নোটায় ভোট দেওয়া। কেননা এই উপনির্বাচনের ভোটে তৃনমূল কংগ্রেস না জয়ী হলে রাজ্য সরকারের কোনও হেরফের হবেনা। বরং আপনারা তৃনমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে এলাকার উন্নয়ন হবে। মাথার উপরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, আপনার এখানে থাকবে দলের বিধায়ক আর গ্যারান্টার হিসেবে থাকব আমি। আগামী ১৩ মাসে আপনার এলাকায় উন্নয়নে ভরিয়ে দেবে রাজ্য সরকার "। বুধবার কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে এক কর্মীসভায় যোগ দিতে এসে এমনই বক্তব্য রাখলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী তথা তৃনমূল কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুর জেলার পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী। কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী তপন দেব সিংহের সমর্থনে প্রচারে এসে এক কর্মীসভায় যোগ দেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালিয়াগঞ্জ শহরের স্থানীয় প্রতিবাদ ক্লাবের মাঠে বিশাল ওই কর্মীসভায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শ্রম দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম রব্বানি, জেলা তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল, জেলা তৃনমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অমল আচার্য, কালিয়াগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক চন্দ্র পাল, জেলা যুব তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌতম পাল সহ শীর্ষ নেতৃত্ব।
আগামী ২৫ নভেম্বর রাজ্যের আরও দুটি বিধানসভা উপনির্বাচনের সাথে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন হতে চলেছে। কালিয়াগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রচারে যোগ দিতে আজ কালিয়াগঞ্জ শহরে আসেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি এক কর্মী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এই রাজ্য তথা দেশের মানুষ এন আর সি আতঙ্কে কাঁপছেন। তিনি নিশ্চিত করে বলেন এই রাজ্যে যতক্ষন পর্যন্ত মমতা বন্দোপাধ্যায় আছেন ততক্ষন আপনাদের পাহাড়াদার হিসেবে থাকবেন। কোনও ভয় বা আতঙ্কের কিছু নেই। কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার যতদিন আছে বা থাকবে ততদিন এন আর সি নিয়ে কোনও ভয় নেই, এন আর সি'র জন্য আধার কার্ড, ভোটার কার্ড নিয়ে দৌড়াতে হবেনা। তিনি বিজেপিকে লক্ষ্য করে বলেন, বিজেপির পতনের দিন চলে এসেছে। এই বিধানসভার উপনির্বাচনে তপন দেব সিংহ প্রার্থী নয়, প্রার্থী হচ্ছে জোড়া ফুল চিহ্ন। জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হাতকে শক্ত করার আহ্বান জানান মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এখানাকার বিজেপি সাংসদ এই ছয়মাসে কোনও কাজ করেননি তার উল্লেখও করেন।

No comments:
Post a Comment