আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই নব নির্মিত সেতুর ভগ্নদশা, আশঙ্কা উত্তরের বাসিন্দাদের।
জলপাইগুড়ি জেলার সদর শহরের সঙ্গে, জেলার ধূপগুড়ি সহ বিভিন্ন এলাকা এবং কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলা সহ অসমের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় বৃহত্তর ভূমিকা রয়েছে ধূপগুড়ি ব্লকের জলঢাকা সেতুর। এই সেতুর উপর চাপ কমাতে সড়ক সম্প্রসারনের পাশাপাশি নতুন করে সেতু নির্মান করা হয় গত দুই বছরে। তবে নতুন সেতু নির্মানের কাজ সম্পুর্ন রূপে শেষ না হলেও নবনির্মিত জলঢাকা সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে এবং পুরোনো সেতুকে সংস্কার করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের প্রথম দিকে নতুন সেতুর কাজ শুরু হয়। যান চলাচল শুরু হয় গত মাস চারেক আগে। সম্প্রতি সেই সেতুর মাঝে একটি পিলারের কংক্রিটের আস্তরন ভেঙে লোহার রড বেরিয়ে গিয়েছে। খবর পেয়ে সংবাদ মাধ্যম ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই ঠিকাদারি সংস্থা তৎপর হয়। নবনির্মিত সেতুর ভগ্নদশা নিয়ে ইতিমধ্যে আশাঙ্কা দানা বাধতে শুরু করেছে। তবে এর পেছনে কি কারন রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ঠিকাদারি সংস্থার দাবি। সাময়িক ভাবে বালির বস্তা দিয়ে ঐ পিলারটিকে গিরে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুদেব ঘোষের দাবি, 'জলঢাকা সেতু এই এলাকার মানুষের কাছে বিরাট ভূমিকা নিয়ে আছে।এই সেতুর বিপত্তিতে স্তব্ধ হয়ে পড়তে পারে বিভিন্ন এলাকা। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি সহ বিভিন্ন জায়গার মানুষের যোগাযোগ হয়। এতেই আমরা আশঙ্কার মধ্যে রয়েছি।'
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিক প্রদ্যুৎ দাশগুপ্ত এবিষয়ে জানান, 'ঘটনার খবর পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঠিকাদার সংস্থা এখনও সেতু হস্তান্তর হয়ে সড়ক কর্তৃপক্ষের হাতে আসেনি।'

No comments:
Post a Comment