শাক-সবজি ফল-মূল নয়, আজকাল রূপচর্চায় জনপ্রিয় ভদকা। ভদকা অনেকে পছন্দ করেন না। কিন্তু ভদকার যা যা সৌন্দর্য্য উপকারিতা আছে, তা জানলে আপনি ভদকা এড়িয়ে যেতে পারবেন না। আমরা অনেকেই জানি ভদকা রাশিয়ার মদ। রাশিয়ার মহিলাদের ত্বক ও চুল অত্যন্ত সুন্দর হয়, তা কি কখনও লক্ষ্য করেছেন আপনি? আসলে রাশিয়ার অধিকাংশ মেয়েরা ত্বকে ও চুলে নিয়মিত ভদকার ব্যবহার করে। দেখে নিন আপনার সৌন্দর্য্য চর্চায় কেন ভদকা ব্যবহার করা উচিৎ-
– ত্বক উজ্জ্বল করেঃ একটি তুলোয় কয়েক ফোঁটা ভদকা লাগিয়ে তা যদি সমস্ত মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে ত্বকের নিষ্প্রভ ভাবটা দূর হবে। ত্বক আরও উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হবে।
– টোনারঃ ভদকা অত্যন্ত ভাল একটি টোনার। ভদকাকে টোনারের মতো ব্যবহার করলে মুখের লোমছিদ্রগুলি সূক্ষ্ম থাকে, আকার বাড়তে পারে না এবং ত্বককে টানটান করে। ভদকার ব্যবহারে ত্বক নরম, মোলায়েমও হয়।
– বলিরেখা দূর করেঃ অতিরিক্ত পরিমাণে নিয়ম মাফিক ভদকা খেলে অকালেই চোখে মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যায় তা যেমন সত্যি, তেমনই সত্যি হল ভদকার ব্যবহার ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। যে কোনও ফেসপ্যাক লাগানোর সময় তাতে যদি কয়েক ফোঁটা ভদকা মিশিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে অনেকটা উপকার পাওয়া যায়।
– ব্রণ-ফুসকুড়ি দূর করেঃ ভদকায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে, যা আপনার ব্রণ ফুসকুড়ি কমাতে সাহায্য করে। ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় কয়েক ফোঁটা ভদকা লাগিয়ে রাখলেই দূর হয়ে যাবে ব্রণ-ফুসকুড়ির মত ত্বকের নানান সমস্যা।
– চুল পরিষ্কার করেঃ ভদকা এক ধরণের প্রাকৃতিক ক্লিনজার। ভদকা শুধু ত্বক থেকেই নয়, চুল থেকেও ময়লা ও নোংরা টেনে বের করে, তা পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর করে তোলে।
– খুশকি দূর করেঃ ভদকা মাথার ত্বকে জন্ম নেওয়া ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়াকে নষ্ট করে, মাথার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে, ফলে মাথার খুশকি নষ্ট হয়। শ্যাম্পুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ভদকা মিশিয়ে নিলে সহজেই দূর হবে মাথার খুশকি।

No comments:
Post a Comment