সন্দেশখালিতে দুষ্কৃতী হামলায় গুলিবিদ্ধ চারজন পুলিশ আধিকারিক - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 2 November 2019

সন্দেশখালিতে দুষ্কৃতী হামলায় গুলিবিদ্ধ চারজন পুলিশ আধিকারিক



প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ;       সন্দেশখালিতে পুলিশের ওপর দুষ্কৃতী হামলা। গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক সহ চারজন। উত্তর ২৪ পরগ্না জেলার  বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালির থানার খুলনা গ্রামে ঘটনা। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ এক এসআই অরিন্দম হালদার এর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীকে নিয়ে দুষ্কৃতী ধরতে গেলে হঠাৎ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে দূর থেকে। সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে জখম হয় মোট চারজন। এক সাব ইন্সপেক্টর অরিন্দম হালদারের গুলিতে জখম হয় ।তাকে স্থানীয়  খুলনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



বাকি তিনজন ১ ভিলেজ পুলিশ বিশ্বজিৎ মাইতি ও সিভিক ভলেন্টিয়ার বাবুসোনা সিংহ এদেরকে কলকাতায় বেসরকারি নার্সিং ভর্তি করা হয়েছে। এদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি  আহত এক গ্রামবাসী তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে যে কুখ্যাত দুষ্কৃতীরা  গুলি চালিয়েছে পুলিশ আজ ভোর রাত্রে তাদের মধ্য থেকে দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী কে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে। কেদার সরদার ও বিধান সরদার  নামে এই দুই দুষ্কৃতী পুলিশের ওপর আচমকাই বেশ কয়েকজন গুলি চালায় বলে অভিযোগ।



এদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  বিভিন্ন থানায় । ঘটনাস্থলে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কংকর প্রসাদ বারুইয়ের  নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশি টহল চলছে।  কি কারনে আচমকাই হামলা  না কি পরিকল্পিত হামলা  কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে সন্দেশখালি থানার পুলিশ। জানা যায় এদিন  রুটিং টহলদারী করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়  চার পুলিশ কর্মী। এদের মধ্যে দুই জন সিভিক পুলিশ রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটের সন্দেশখালী থানা এলাকার খুলনা গ্রামের আতাপুর ফেরী ঘাটের কাছে।



 শুক্রবার রাতে সাড়ে দশটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ বছর কয়েক ধরে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কেদার সর্দার সুন্দরবনের ত্রাস শেখ শাজাহানের দলের সদস্য। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর সালে একদা সিপিআইএম ঘনিষ্ট সুন্দরবনের ডন শেখ শাজাহানের তৃণমূলে প্রবেশ। সেই থেকেই মসনদ অটুট। লোকসভা নির্বাচনের পর সন্দেশখালীতে গণহত্যার ঘটনায় নাম জরায় শেখ শাজাহানের ও বাবু মাষ্টারের। বাম আমলে সুন্দরবনের অলিখিত শাসন ক্ষমতা ছিল এদের হাতেই।



বাম আমলে এই দুই দুষ্কৃতী কোন প্রশাসনিক মসনদ না পেলেও ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় সেই ষোলোকলা পূর্ণ হয়। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার জেলা পরিষদের শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন বাবু মাষ্টার। শেখ শাজাহান তারই সাকরেদ। খুলনা অঞ্চল শেখ শাজাহানের হয়ে দেখা শুনা করে কেদার সর্দার ও তার ভাই বিধান সর্দার। এরা সবাই বিভিন্ন সমাজবিরোধী মূলক কাজ কর্মের জন্য বহুবার জেল হাজতে গিয়েছে। খুন জখম ধর্ষণ তোলাবাজি ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে এই সর্দার ভাইদের বিরুদ্ধে।




পি/ব

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad