প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ; ১৯৯০ এর দশকের শেষদিকে কোহলি চলচ্চিত্র সমালোচক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এবং জি টিভিতে চলো সিনেমা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করতেন। তিনি কয়েকটি সংগীত ভিডিও পরিচালনাও করেছিলেন। এদের মধ্যে আছে বালি সাগোরের "মেরা লং গাওয়াচা", কামাল খানের "জানা", বালি ব্রহ্মভট্টের "তেরে বিন জিনা নাহিন", শ্যামক দাবারের "জানে কিসনে", হেমা সারদেসাইয়ের " বোলে হামসে কুচ না গোরি "এবং রাজশ্রী মিউজিকের" ইয়ে হ্যায় প্রেম " (মিলিন্দ সোমানের সাথে আলিশা চিনোর একটি গান)।
টিভি ও চলচ্চিত্রে যাওয়ার আগে তিনি প্রায় ২৪ টি সঙ্গীত ভিডিও পরিচালনা করেছিলেন। টেলিভিশন ধারাবাহিক ট্রিকন দিয়ে পরিচালনায় তার অভিষেক ঘটে। [৩] প্রয়াত যশ চোপড়ার মালিকানাধীন যশরাজ ফিল্মসের জন্য তিনি চারটি চলচ্চিত্র তৈরি করেন। তাদের ব্যানারে তাঁর প্রথম ছবিটি ছিল মুঝসে দোস্তি করোগে! (২০০২) যা বক্স অফিসে ভালো ফল করেনি। এতে অভিনয় করেন হৃতিক রোশন, রানি মুখার্জি ও কারিনা কাপুর । তাঁর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র হাম তুম (২০০৪) বেশ হিট হয় এবং যা তাকে পরিচালক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে। হাম তুম পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করে, যার মধ্যে কোহলি সেরা পরিচালক হিসেবে একটি পুরস্কার পান। তিনি তার পরামর্শদাতা যশ চোপড়াকে হারিয়ে এই পুরস্কার পান যিনি বীর-জারার জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।
[৪][৫] এরপরে তিনি ফানা পরিচালনা করেন, যাতে অভিনয় করেছিলেন আমির খান ও কাজল। কাজল চার বছরের বিরতি দিয়ে এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে ফিরে এসেছিলেন এবং এটি দিয়ে ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার পান। ছবিটি ২০০৬ সালের মে মাসে মুক্তি পায়। ফানা ২০০৬-এর সবচেয়ে বেশি অর্থ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্রগুলোর মাঝে অন্যতম। চলচ্চিত্রটি বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল এবং গুজরাট রাজ্যে নিষিদ্ধ হয়েছিল।[৬] কোহলি থোডা পেয়ার থোডা ম্যাজিক (২০০৮) এর কাহিনী লিখেন, পরিচালনা ও সহ-প্রযোজনা করেন। এতে অভিনয় করেছেন সাইফ আলি খান, রানি মুখার্জি, আমিশা প্যাটেল এবং ঋষি কাপুর । এরপরে তিনি প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক ব্রেক কে বাদ প্রযোজনা করেন, যা পরিচালনা করে দানিশ আসলাম এবং এতে ইমরান খান ও দীপিকা পাড়ুকোন প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এটি ২০১০ সালের শেষার্ধে ছবিটি মুক্তি পায়।
No comments:
Post a Comment