নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে অবশেষে মুখ খুললেন সাকিব - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 2 November 2019

নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে অবশেষে মুখ খুললেন সাকিব



আল মামুন, ঢাকাঃ       বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের একমাত্র নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার খেলোয়াড় তিনি। টিম বাংলাদেশের হারা-জেতা একমাত্র তার উপরেই নির্ভর করে। সেই কিনা আইসিসির নিষেধাজ্ঞার জালে আটকা পড়লেন! বলছি সাকিব আল হাসানের কথা। বিশ্বজুড়ে সুখ্যাতি পাওয়া এই ক্রিকেটারের নিষিদ্ধের ঘটনায় তোলপাড় দেশটির ক্রিকেটাঙ্গন।



জুয়াড়িদের প্রস্তাব গোপন রাখার অপরাধে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে আকসুকে তদন্ত কাজে সহায়তা করায় তার শাস্তি এক বছর কমিয়ে এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-আইসিসি। যার ফলে এক বছর শাস্তি ভোগ করেই মাঠে ফিরতে পারবেন সাকিব।
শাস্তির খবর আইসিসি’র জানানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইংরেজি হরফে লেখা ছিল সাকিবের নিজের কথাও। যেখানে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ঘণ্টাখানেক পরেই বাংলাদেশ ক্রিকেটা বোর্ড-বিসিবি লাউঞ্জে দাঁড়িয়ে সংবাদ মাধ্যমে একই কথাগুলো বাংলায় বলে যান সাকিব। তখন তাকে উপস্থিত সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে চাইলেও সাফ জানিয়ে দেন- এখন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে চান না। শুধু সেদিনই নয়। সাকিব চুপ ছিলেন পুরো তিনদিন। অবশেষে শুক্রবার মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে মুখ খুলেন তিনি। জানালেন নিজের কথা।



সেই ফেসবুক পোস্টে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমার সকল ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশ্যে, শুরুতেই আমি বলতে চাই আপনার নিঃশর্ত ভালোবাসা ও অকুণ্ঠ সমর্থনে আমি সত্যিই আবেগাপ্লুত। বিশেষ করে গত কয়েকটা দিন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই কঠিন ছিল। এই কয়েকদিনে আমি আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি যে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করা আসলে কতটা গর্বের। এ বিষয়ে আমি আমার সকল সমর্থকদের বলবো ধৈর্য ধারণ করুন। বিশেষ করে যারা আমার ওপর আসা নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন।’



তিনি বলেন, ‘আমি এটা পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট যে তদন্তটা করেছে, এটা পুরোপুরি গোপন ছিল এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানতে পেরেছে আমার কাছ থেকেই। আমাকে নিষিদ্ধ করার কয়েক দিন আগে। এরপর থেকে বিসিবি আমাকে অনেক সাহায্য করেছে এবং আমার অবস্থা বোঝার চেষ্টা করেছে। এ কারণে আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।’



সাকিব বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি কেন অনেক মানুষ আমাকে সাহায্য করতে চাইছে। আমি তাদের এই ইচ্ছাকে সাধুবাদ জানাই। যাই হোক, এটা একটা প্রক্রিয়া ছিল এবং আমি আমার শাস্তি মেনে নিয়েছি। কারণ আমার মনে হয়েছে এটা করাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। আমার পুরোপুরি ধ্যানজ্ঞান এখন আবারও ক্রিকেট মাঠে ফেরা এবং ২০২০ সালে বাংলাদেশের হয়ে খেলা। তার আগ পর্যন্ত আমার জন্য দোয়া করবেন এবং হৃদয়ে রাখবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।




পি/ব

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad