প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ; স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাতি প্রতাপ উচ্ছৃঙ্খল ও জুয়াড়ি, সে কারনে বাড়ি থেকে তাকে তাড়িয়ে দেন প্রতাপের মা। বাড়িছাড়া প্রতাপ বোম্বাই চলে আসে। সমুদ্রে ডুবে যাওয়া থেকে ব্যবসায়ী ও লক্ষীনগর বস্তির মালিক লক্ষীদাসের ছেলে অতুলকে বাঁচালে লক্ষীদাস তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন ও বড় ছেলের মর্যাদা দেন। একসাথে তারা মানুষ হয়। বস্তির একটি ঘরে সাংবাদিক মেঘা দীক্ষিত থাকে।
সে সমাজবিরোধী, দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, উঁচুতলার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাগজে লিখতে থাকলে তার ওপর হামলা হয়। প্রতাপ তাকে বাঁচায়। বস্তির হিন্দু মুসলিম ঐক্য নষ্ট করে তা দখল করতে চায় প্রমোটার ও রাজনীতিবিদেরা কিন্তু প্রতাপ সর্বদা তাদের আক্রমন রুখে দেয়। ব্যবসায়ী যোগরাজের মেয়ে মমতা বস্তির ছেলে অতুলকে ভালবাসে জেনে প্রথমে রেগে গেলেও যোগরাজ পরে খুশি হয় এই ভেবে যে বোম্বে শহরে বিরাট জায়গা জুড়ে থাকা লক্ষীনগরকে দখল করা যাবে। কুখ্যাত অপরাধী চতুর সিং চিতার লোকজন বস্তিতে আগুন লাগিয়ে দেয় কিন্তু দয়ালু লক্ষীদাস বস্তির অধিবাসিদের পাশে দাঁড়ান। যখন কোনোভাবে বস্তি দখল করা গেলোনা তখন লক্ষীদাসকে ভয় দেখিয়ে দলিলে সই করিয়ে খুন করে চতুর সিং।
প্রতাপ এই খুনের বদলা নিতে মরিয়া হয় এবং চতুর সিং একটি মন্দিরে পুজো দিতে এলে তার ওপর গুলি চালায়। যদিও বুলেট প্রুফ জ্যাকেট থাকায় সে বেঁচে যায়। এবার দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের প্রধান, অসৎ পুলিশ আধিকারিক ও বিচারককে দের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতাপ। ছদ্মবেশে টিভি চ্যানেলের আলোচনা কক্ষে ঢুকে সে সকলকে হত্যা করে। বিচারে তার ফাঁসির আদেশ হয়। জেলে তার মা বহুদিন পরে তাকে দেখতে আসেন সংগে আসে মেঘা। ফাঁসির আগের মূহুর্তে খবর আসে রাষ্ট্রপতি এই সাজা মকুব করেছেন। জনগন এ সংবাদে উল্লাসে ফেটে পড়ে ও প্রতাপের কাছে ছুটে যায়। এই সময় চতুর সিং মেশিনগান নিয়ে গুলি চালাতে থাকে জনতার উদ্দেশ্যে। প্রতাপ তাকে শেষ পর্যন্ত হত্যা করতে সক্ষম হয়।[১]
No comments:
Post a Comment