বেশ কিছুদিন ধরে কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত 131 নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই 131 নম্বর ওয়ার্ডটি তে বেশকিছু আবর্জনা পূর্ণ ফাঁকা জমি ও পুকুর রয়েছে।এই আবর্জনা পূর্ণ জমি ও পুকুর গুলি থেকেই মশার লার্ভা জন্মাচ্ছে বলে ইতিমধ্যেই এলাকা পরিদর্শনে এসে কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতিন ঘোষ খোব প্রকাশ করেন। বিষয়টি এরপর তিনি মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নজরে আনেন।
বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয় কলকাতা পুরসভায়য়। মানুষের জীবন এবং স্বাস্থ্য রক্ষা করা কলকাতা পুরসভার প্রধান কর্তব্য। কিছু উদাসীন মানুষের জন্য যদি মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয় তবে সে বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রশাসনের আশু কর্তব্য, বলে এদিন মন্তব্য করেন কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এদিন সকালবেলায় বেহালার 48 নম্বর পঞ্চানন তলা রোডের একটি আবর্জনা পূর্ণ পুকুর পরিদর্শন করে এলাকার মানুষের ক্ষোভের কথা শোনেন মেয়র।
দীর্ঘদিন ধরে শরিকি লড়াইয়ের কারণে এই পুকুরটি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি 31 নম্বর ওয়ার্ডটি প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের হওয়ার কারণে এই ওয়ার্ডের মানুষজন বর্তমানে পুরো পিতাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। শোভন বাবুর উদাসীনতার কারণে এই এলাকার নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ শোনা যায়।
হালিশহর কলকাতার মানুষের জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে যদি শরিকি দ্বন্দ্ব বা জমির মালিকদের উদাসীনতার কারণে অপরিষ্কার অবস্থার সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে ওই জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে পা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পুরসভা নিতে পারবে বলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে বিধানসভায় একটি বিল আনার আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
source https://www.rarebreaking.com/2019/11/blog-post_50.html
No comments:
Post a Comment