ফল ঘোষণার ১৮দিন পরও সরকার গঠনের সূত্র অধরা।
শেষপর্যন্ত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হল মহারাষ্ট্রে। রাজ্যপাল সরকার গঠনের জন্য এনসিপিকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু, মঙ্গলবার সেই ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেন। মোদি মন্ত্রিসভাও রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ অনুমোদন করে। আর তারপরই রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিয়ে দেন।
রাষ্ট্রপতি শাসনের পিছনে সরসারি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ারির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব কংগ্রেস-শিবসেনা। যদিও, সূত্রের খবর, এনসিপির তরফে মঙ্গলবার দুপুরে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে আরও তিন দিন সময় চাওয়া হয়। কিন্তু, রাজ্যপাল তা দিতে অস্বীকার করেন। তারপরই রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করা হয়। রাজ্যপাল সরকার গঠনের জন্য বিজেপিকে ২ দিন সময় দিয়েছিলেন। শিবসেনা ৩ দিন সময় চেয়েছিল, কিন্তু, একদিন সময় দেন রাজ্যপাল। এনসিপি ৩ দিন সময় চেয়েছিল, কিন্তু, ১দিন সময় দেন রাজ্যপাল। শিবসেনার প্রশ্ন, বিজেপিকে সরকার জন্য ২ দিন সময় দেওয়া হলে, অন্যদের কেন নয়? এই প্রশ্ন তুলে রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে গেছে শিবসেনা। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা ট্যুইট করে বলেছেন, রাজ্যপাল কোশিয়ারির মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ, গণতন্ত্রের পরিহাস। সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে হাস্যকর জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সময় দেওয়া নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা কেন করছেন রাজ্যপাল? রাষ্ট্রপতি শাসনের আগে বিজেপিকে ৪৮ ঘণ্টা, শিবসেনা ২৪ ঘণ্টা, আর এনসপিকে তাও নয়! এটা লজ্জাজনক অসৎ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত। রাজ্যপালের অবশ্য দাবি, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনে মহারাষ্ট্রে সরকার তৈরি করা সম্ভব হচ্ছিল না বলেই রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজেপি আবার কংগ্রেস-এনসিপি-শিবসেনার প্রস্তাবিত জোটের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বিজেপি নৈতিকতার প্রশ্ন তুলতেই জবাব দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে।
source https://www.rarebreaking.com/2019/11/president-rule-imposed-in-maharsatra.html

No comments:
Post a Comment