প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; রাশিয়ান নির্মাতা মিখাইল কালাতোজোভ পরিচালিত আরেকটি মাস্টারপিস ছবি ‘দ্য ক্রেনস আর ফ্লায়িং’। ১৯৫৭
সালে মুক্তি পায় ছবিটি। মূলত একটি প্রেমের কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে ছবিটির কাহিনী। ১৯৫৮ সালের আন্তর্জাতিক কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পায় ‘দ্য ক্রেনস আর ফ্লাইয়িং’ ছবিটি।
একে অপরের সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ ভেরোনিকা এবং বোরিস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত সব ঠিকমতই চলছিলো। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ায় পর সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে বোরিসকে যুদ্ধে চলে যেতে হয়।
ভেরোনিকার সঙ্গে বোরিসের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সহযোদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে মারা যায় বোরিস। অপরদিকে ভেরোনিকার মা বাবা বোমা হামলায় মারা যায়। নিঃসঙ্গ ভেরোনিকা পরবর্তীতে আশ্রয় নেয় মার্ক নামের এক পিয়ানোবাদকের কাছে, যে পরে বিয়ে করে ভেরোনিকাকে। মার্ককে আপন করে নিতে না পেরে আত্মহত্যা করতে যায় ভেরোনিকা। কিন্তু পথে বোরিস নামের এক আহত ছোট ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যুর পথ থেকে ফিরে আসে সে। পরে দেখা যায় বোরিস নামের ছেলেটিকে দত্তক নেয় ভেরোনিকা। এমন কাহিনীর অসাধারণ ক্লাসিক ঘরানার ছবি ‘দ্য ক্রেনস আর ফ্লাইয়িং’।
No comments:
Post a Comment