নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সন্ত্রাসী হামলায় মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির ৫ শ্রমিক নিহত জম্মু-কাশ্মীরে। মঙ্গলবার রাতে পৌনে ৯ টা নাগাদ কাশ্মীরের কুলগামের কাতরাসু গ্রামে একটি বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণের ফলে রফিক শেখ (২৮), কামরুদ্দিন শেখ (৩০), মুরসালিন শেখ (৩০), নইমুদ্দিন শেখ (২৮) এবং রফিকুল শেখ (৩০) নিহত হয়েছে। এছাড়া জহিরুদ্দিন শেখ নামে অন্য এক শ্রমিক আহত হলে তাকে অনন্তনাগ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা সেখানে একটি ভাড়া বাড়িতে থেকে শ্রমিকের কাজ করতেন।
হামলাকারীরা তাদের বাসা থেকে টেনে বের করে গুলিবর্ষণ করলে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির ব্রাহ্মণী গ্রামের ওই বাসিন্দারা কাশ্মীরে আপেল বাগানে অস্থায়ীভাবে শ্রমিকের কাজ করতেন, বলে জানা গেছে।
রাজ্য পুলিশের ডিজিপি দিলবাগ সিং বলেন, ‘ওই শ্রমিকরা দৈনিক ভিত্তিতে এখানে কাজ করতে এসেছিলেন। সন্ত্রাসী হামলার পিছনে পাকিস্তানের মদত রয়েছে।’ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। কাশ্মীর পুলিশের আইজিপি এস পি পাণি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।’
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা, অধীর চৌধুরী এমপি বলেন, ‘কাশ্মীর আজ অত্যন্ত ঘৃণ্য ও জঘন্য হত্যালীলার সাক্ষী হয়ে রইল।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, মৃত ৫ জনই মুর্শিদাবাদ জেলার।
এদিকে, কোনও সন্ত্রাসী সংগঠন ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দায় নেয়নি। ভয়াবহ ওই হামলার ঘটনায় রাজ্যের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা অপসারিত করার পর থেকে জঙ্গীরা কোন প্রত্যাঘাত আনতে পারছিল না। ইউরোপীয় সদস্যরা ভারত আসার সময়টিকে বেছে নিয়েছে তারা।
No comments:
Post a Comment