প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; পিরামিডের দেশে ‘হিন্দু মন্দির’! শুনতে আশ্চর্য লাগলেও কথাটা সত্যি। মিশরের রাজধানী কায়রো শহরের উপকণ্ঠ হোলিওপলিসেই রয়েছে এই বিস্ময়কর স্থাপত্য নিদর্শনটি। দেখতে পুরোপুরি হিন্দু মন্দিরের মতো হলেও এটি আসলে এক প্রাসাদ। এর পোশাকি নাম— ‘লে পালাই হিন্দোউ’ বা সাদা বাংলায় ‘হিন্দু প্রাসাদ’। ১৯০৭ থেকে ১৯১১ সালের মধ্যে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন বেলজিয়ান ইঞ্জিনিয়ার, উদ্যোগপতি, ধনকুবের এদুয়ার লুই জোসেফ, যিনি ব্যারন এমপেইন হিসেবেই সমাধিক প্রসিদ্ধ।
১৯ শতকের শেষ দিক থেকে বিংশ শতকের গোড়া— এই কালপর্বে ইউরোপের এক বিপুল অংশের শিক্ষিত এলিট প্রাচ্যবিদ্যা চর্চার দিকে ঝোঁকেন। এঁদের অনেকেই এই চর্চাকে পুঁথিপাতড়ায় সীমায়িত না রেখে নিজেদের জীবনযাপনেও প্রয়োগ করতে শুরু করেন। ব্যারন এমপেইন সেই সব প্রাচ্যবিদদের মধ্যেই অন্যতম। তিনি প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা ও তার বিস্তৃত রূপটি সম্পর্কে খুবই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।
সেই সঙ্গে তিনি অপেশাদার ভাবে মিশরতত্ত্বের চর্চাও করতেন। ১৯০৭ সালে তিনি মিশরের হেলিওপলিসে এই প্রাসাদ নির্মাণের বরাত দেন ফরাসি স্থপতি আলেকজান্দ্রে মার্সেলকে। কম্বোডিয়ার আঙ্কোর ভাট-এর বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরের সঙ্গে ওড়িশার মন্দির শৈলী মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই প্রাসাদ। আজও এই প্রাসাদ এক দ্রষ্টব্য বিষয় পর্যটকদের কাছে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment