প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ;শুরুতে হৃষীকেশ মুখার্জি এবং সুচিত্রা সেন, শেষে শক্তি সামন্ত এবং শর্মিলা ঠাকুর। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৯। দীর্ঘ এই যাত্রাপথের কাহিনী শোনালেন অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য। এই কাহিনীর সূত্রপাত ১৯৬১ সালের মার্চ মাসের আশেপাশে। তার আগের বছরই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের তালিকায় বছরের শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম নির্বাচিত হয়েছে হৃষীকেশ মুখার্জির ‘অনুরাধা’।
বাঁধা গত মেনেই বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবেও ভারতের মনোনীত ছবি হয় ‘অনুরাধা’, যার ফলে জুন মাসে বার্লিনে ছবিটির, তথা ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন হৃষীকেশ মুখার্জি। পাশাপাশি প্রথমবার ইউরোপ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ‘অনুরাধা’র লেখক শচীন ভৌমিকও। সেই সফরের খরচ কিছুটা বহন করেন রাহুল দেব বর্মণ, কিছুটা শাম্মি কাপুর, কিছুটা হেমেন গাঙ্গুলি – রোটারি সদস্য, চিত্র প্রযোজক, দিলীপ কুমারের স্টাইল গুরু, আরও অনেক কিছু। ফের একবার একসঙ্গে কাজ করবেন, সেটা আন্দাজ করে ইতিমধ্যেই হৃষীকেশ মুখার্জিকে আরও একটি গল্পের আইডিয়া দিয়ে ফেলেছেন শচীন ভৌমিক।
গল্পের অনুপ্রেরণা ১৯৪৬ সালের হলিউড ছবি ‘টু ইচ হিজ ওন, যাতে অভিনয় করে অস্কার পেয়েছিলেন ওলিভিয়া ডে হ্যাভিল্যান্ড। ‘অনুরাধা’র পর আরও একটি নারীকেন্দ্রিক চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করতে হৃষীকেশের আপত্তি ছিল না। উল্লেখ্য, বার্লিনের জুরি – যাঁদের মধ্যে ছিলেন সত্যজিৎ রায়ও – ‘অনুরাধা’ দেখে খুব একটা আলোড়িত হন নি, যদিও ছবিটি হৃষীকেশের সেই সময়ের কাজের তুলনায় গুণগতভাবে উচ্চমানের ছিল।
pb
No comments:
Post a Comment