প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; নীল ছবি বা ব্লু ফিল্ম। পর্ন মুভিকে ভারতের সাধারণ মানুষ এ ভাবেই ডাকেন। কিন্তু কেন? পর্ন ছবির সঙ্গে নীল রঙের কী যোগ? নানা মুনির নানা ব্যাখ্যা আছে এ নিয়ে। ছাপানো হত নীল সাদা পোস্টার প্রথম দিকে বি-গ্রেড ছবি বা পর্নোগ্রাফিক মুভি দেশের নানা প্রান্তেই স্থানীয় হলগুলোয় দেখানো হত। সেই সময় এই ছবিগুলির প্রচারের জন্য যে পোস্টার ছাপা হত, সেগুলো থাকত অন্য ছবির পোস্টারের থেকে আলাদা। শুধু নীল-সাদা রঙে ছাপা হত এই পোস্টার। অন্যান্য ছবির থেকে আলাদা করে বোঝাতেই ছিল এই কৌশল। কারও কারও মতে, এই নীল রঙের পোস্টারের থেকেই পর্ন ছবি পরিচিত হয়ে ওঠে ব্লু ফিল্ম নামে।
অ্যাডান্ট সিনেমা শুটিং করা ছিল কঠিন এবং পরিচালকদের আর্থিক সমস্যায় পড়তে হতো বিশ্ব জুড়েই পর্ন ছবির রমরমা শুরু হয় ভিডিও ক্যামেরা আসার পর। এ দেশেও তাই। ভিএইচএস (ভিডিও হোম সিস্টেম) ক্যামেরা খুবই জনপ্রিয় ছিল ভিডিও যুগের আদি পর্বে। সস্তার এই ক্যামেরা আর সস্তার ক্যাসেট আমজনতার নাগালে এনে দেয় চলচ্চিত্র তোলার সুযোগ। সস্তার পর্ন নির্মাতারাও হাতে চাঁদ পেলেন। রমরমিয়ে তৈরি হতে শুরু করল ভিডিও পর্নোগ্রাফি। কিন্তু ভিএইচএস-এ তোলা ছবির মান ফিল্ম ক্যামেরার মানের ধারেকাছে ছিল না। ইন্ডোর শুটিংয়ে কম খরচে আলোর ব্যবস্থার কারণে ভিএইচএস-এ তোলা ছবি আরও খারাপ হত। কিছুটা ব্লুইশ বা নীলচে ভাব থাকত অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। অনেকের মতে এই থেকেই জনপ্রিয় হয়েছে ব্লু ফিল্ম শব্দটা।
সস্তার বাজেটে সারা হত শ্যুটিং-এর কাজ কেউ কেউ ব্লু ফিল্মের নামের ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে আরও পিছনে যাওয়ার পক্ষপাতী। ১৯৬০-এর দশকে যখন বিদেশে ‘গোল্ডেন এজ অফ পর্ন’ সূচিত হচ্ছে, তখন বেশির ভাগ ছবিই ছিল অত্যন্ত স্বল্প ব্যয়ে নির্মিত। প্রধানত সাদা-কালোয় ছবি শুট করে তাতে রংয়ের বিভ্রম সৃষ্টির জন্য একটা নীল টিন্ট দেওয়া হত। সেই থেকেই এমন নাম বাজারে চালু হয় বলে অনেকের মত।
ব্লু আইন ৫০-৬০ বছর আগে, অনেক রাজ্যে ব্লু আইন ছিল। সেই অনুযায়ী, রবিবার বেশ কয়েকটি ব্যবসা চালানোর অনুমতি ছিল না। এ কারণেই রবিবারে ব্লু সিনেমাও দেখানো হতো না। এই কারণেই বি-গ্রেড সিনেমাগুলিকে ব্লু ফিল্ম বলা হত।
পি/ব
No comments:
Post a Comment