নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দীপাবলির আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে অধ্যাপিকা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ কি কোন নতুন সমীকরণ?
এ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। কারণ, পার্থ চট্টোপাধ্যায় শুধু রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীই নন। তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিবও বটেন।
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু, রাজ্য বিজেপি নেতাদের সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের তেমন বনিবনা হচ্ছে না-বলে সূত্রের খবর। বৈশাখীদেবী বলেন, 'আমি চাই শোভনবাবু সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করুন। তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসে রাজনীতি। শোভন চট্টোপাধ্যায় নতুন একটি দলে গিয়েছেন। সেই দল চাইলে তাঁকে দায়িত্ব দিতেই পারে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত তেমন কিছুই দেখা যাচ্ছে না।' বিজেপির সঙ্গে তাঁর নিজের সম্পর্কটাও যে মোটেও মধুর নয়, এদিন তা-ও কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজেকে একজন 'রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব' বলে দাবি করে তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় না, বিজেপিকে নিয়ে কথা বলার কোনও যোগ্যতা আমার রয়েছে।'
এখন প্রশ্ন, তবে কি পুরনো দলের সঙ্গে শোভনবাবু ও তাঁর দূরত্ব ঘোচাতেই এদিন তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এসেছিলেন? এই প্রশ্নে বৈশাখীদেবী বলেন, 'পার্থদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক দলগত নয়। আজ আমি যে জায়গায়, তা পার্থদার জন্যই। বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে আসা হয়নি। তাছাড়া, কলেজের সমস্যাও মেটেনি। সেই কারণে এসেছি।' বৈশাখীদেবী এই কথা বললেও, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে তাঁর আসা নিয়ে জল্পনা কমেনি। কারণ, দুর্গাপুজোর পর থেকেই বিজয়া শুরু হয়। দুর্গাপুজোর পর্ব প্রায় দিন পনেরো আগে চুকে গিয়েছে। দুর্গাপুজোর এতদিন পর পার্থবাবুর বাড়িতে বিজয়া করতে এলেন, তা নিয়েই জল্পনা এখন তুঙ্গে বিভিন্ন মহল।
পি/ব
No comments:
Post a Comment