প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; জিশান এ মির্জা এবং রাজেশ সনপ নামের দুই গবেষকের একটি গবেষণা অনুসারে এই এলাকায় ৮৬ রকমের প্রজাপতি, ৯০ ধরনের মাকড়শা, ৪৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩৪ ধরনের বন্য ফুল এবং ৯টি চিতাবাঘ রয়েছে। বিএমসি-র বৃক্ষগণনা অনুসারে, এখানে ৪.৫ লক্ষ গাছ রয়েছে, যা মুম্বইয়ের হরিৎ ফুসফুস বলে পরিচিত।
পরিবেশবিদরা বলছেন, আরে ডিপো যে প্লটের উপর নির্মিত হতে চলেছে, সেটিই এখন মিথি নদীর একমাত্র স্বাভাবিক প্লাবনভূমি। এখানে নির্মাণকাজ গলে এবং গাছ খাটা হলে বর্ষাকালে বন্যার পরিমাণ বাড়বে। তবে প্রস্তাবিত কারশেডটি নির্মিত হবে মাত্র ৩৩ হেক্টর এলাকা জুড়ে, যা গ্রিন বেল্টের মোট ১২৭৮ হেক্টর এলাকার মাত্র ২ শতাংশ।
এমএমআরসিএল বলেছে, এই ৩৩ হেক্টর এলাকা ছাড়া আরের অন্য কোনও এলাকা বিঘ্নিত হবে না তারণ তিন দিকে সড়কপথে এখানে পৌঁছনো সম্ভব। এমএমআরসিএল বলছে, যেসব গাছ কাটা হয়েছে, তার অর্ধেকের বেশি গাছই ছিল বিদেশি, যা দেশি গাছের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত করা সম্ভব।
pb
No comments:
Post a Comment