নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ছোটবেলায় যেভাবে চিবিয়ে চিবিয়ে তেতুল খেতাম এখন আর খেতে পারিনা। কারন তেঁতুল দেখলেই শরীর কেমন করে ওঠে তাইনা। কিন্তু যদি সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে সঠিক পরিমাণে খাওয়া যায় তবে এর খাদ্যগুণ অনেক। তেতুলের খাদ্যগুণ নারকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি এটা কি জানেন?
ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি রয়েছে ।তেতুলে অন্যান্য পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক পরিমাণে থাকলেও যেসব রোগের জন্য উপকারী তা হলো স্কার্ভি রোগ, কোষ্ঠবদ্ধতা ,শরীর জ্বালা করা প্রভৃতিতে তেঁতুল রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ।মেদ-ভুঁড়ি কমায় ও পেটে গ্যাস হলে ও তেঁতুলের শরবত খেলে দ্রুত সেরে যায় তেতুল খেলে কোন ক্ষতি হয় না তবে বেশি খেলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। বুক ধড়ফড় করা ,মাথা ঘোরা ও রক্তের প্রকোপে তেতুল উপকারী ।
কাঁচা তেঁতুল গ্যাস কমাতে ও কাঁচা তেতুলের কাথ গরম করে আঘাত পাওয়া স্থানে প্রলেপ দিলে ব্যথা সারে ।তেঁতুল গাছের শুকনো বাকলের প্রলেপ ক্ষত স্থানে লাগালে তা ভালো হয়ে যায় ।পাকা তেতুল খিদে বাড়ায় । তেঁতুলগাছের ছাল, ফুল ,পাতা ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাই তেঁতুলকে সম্পূর্ণভাবে হেলাফেলা করার কোন কারণ নেই। বরং একে ঠিকঠাক কাজে লাগানো দরকার।
পি/ব
No comments:
Post a Comment