সুদেষ্ণা গোস্বামীঃ ওই সিনেমার ডায়লগ টা মনে আছে আপনাদের-'এক চুটকি সিন্দুর কি কিমাত তুম কেয়া জানো'।আজকালকার মর্ডান মেয়েরা সিঁদুর পরতে চায় না। তাতে নাকি স্টাইল নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু হিন্দু শাস্ত্রে সিঁদুর নিয়ে অনেক কথা রয়েছে। এমনি এমনি সিঁদুরের রং লাল নয় অনেক কারণ আছে। লাল রং হচ্ছে শক্তির প্রতীক, লাল রঙের সাথে অমোঘ মাতৃত্বের টান আছে, আছে নারীশক্তির অসম্ভব আধার।ভৌগলিক কারণবশত বিভিন্ন জায়গায় মাটির রং লাল হয় মায়ের সাথে মাটিরও টান রয়েছে ,রয়েছে সেই মাটিতে নারীত্বের গন্ধ।
সিঁদুর আমাদের হিন্দুদের একটা আবেগের জায়গা। সিঁদুর পরার উপর আমাদের স্বামীর ভাগ্য, উন্নতি নির্ভর করে। কি পদ্ধতিতে কিভাবে এবং কি নিয়মে সিঁদুর পরলে আপনি আপনার স্বামীর আয়বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং সন্তানের উন্নতি হবে ও স্বামীর মঙ্গল হবে তা নিয়ে আজ আলোচনা করব। আগেকার দিনের মা, ঠাকুমারা যেভাবে সিঁদুর পড়তেন সেই ভাবেই সিঁদুর পড়ুন অর্থাৎ স্নানের পর শুদ্ধ বস্ত্রে চুলটাকে সমান দুই ভাগ করে নিয়ে মাঝখানে সিঁদুর টানুন। মনে রাখবেন সিঁদুর যেন সিন্দুরী হয় সিঁদুর এর জায়গায় অন্য কোন বস্তুর ব্যবহার করবেন না।
সিঁদুর পড়ার সময় স্বামীর নাম ও গোত্র তিনবার বলে মাথায় ঠেকান।তারপর বাড়ির বাইরে বেরোনোর সময় যে কোন দিকে চুল আছরিয়ে আপনি বাইরে বেরোন। বিধিমতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সিঁদুর পরা উচিত নয়। কিন্তু আমরা হিন্দু নারীরা সেটা জানিনা বলে তার সামনে দাঁড়িয়ে এতোকাল সিদুর পরে এসেছি। আয়নার সামনে যদি সিঁদুর পড়তেই হয় তাহলে পূর্বদিকে আয়না রেখে সিঁদুর পরা উচিত। নারীশক্তি লুকিয়ে থাকে মাথার ওই লাল রঙের সিঁদুরে। আর ওই সিঁদুর দিয়ে আপনি আগলে রাখতে পারবেন আপনার সমস্ত পরিবারকে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment