পর্ন চালানোর কিছুক্ষণের মধ্যে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়! কী এমন দেখেছিলেন মহিলা? - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 11 October 2019

পর্ন চালানোর কিছুক্ষণের মধ্যে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়! কী এমন দেখেছিলেন মহিলা?



 প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ;   আগে খুবই পর্ন ছবি দেখার নেশা ছিল। ভিডিও প্লেয়ারে একটু পুরনো, ক্লাসিক টাইপ পর্ন ভিডিও চালান। কিন্তু সেই ভিডিও দেখতে বসে কিছুক্ষণ পরই আবিষ্কার করে, সেটা তাঁরই বাবা ও মা। এমনও হতে পারে, ভাবতে পারেননি। তারপর থেকে আর পর্ন ভিডিও দেখতে পারেননি। ১৫ বছর আগের ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্বীকার করলেন  এক মহিলা। তখন বয়স মাত্র ১৫।


 যৌনতা নিয়ে আগ্রহ অনেক বেশি। একদিন স্কুল যায়নি। অনেকটা সময় ছিল হাতে। মা-বাবার ঘরের জিনিসপত্র ঘাঁটছিলেন। হঠাৎ তাকের পিছনে একটি ভিডিও টেপ খুঁজে পান তিনি। তখন কিশোর মন। ভেবেছিলেন, নিশ্চয় ওর মধ্যে পর্ন ভিডিও আছে। সত্যিই তাই ছিল। ছোটবেলার সেই একটা সিদ্ধান্তের জন্য এখনও ভুলতে পারেননি তিনি। ভিডিও চালানোর পর কিছুক্ষণের মধ্যে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়।


দেখেন, ওই ভিডিওতে চলছে তাঁর বাবা ও মায়ের সেক্স টেপ। এমনও হতে পারে, তা ভাবতে পারেননি তিনি। এখনও ভাবলে খারাপ লাগে। ভিডিওটি একটি সোফা থেকে শুরু হয়। কিছুটা দূর থেকে নেওয়া ক্যামেরার শটে দেখা যায়, এক নগ্ন মহিলাকে। ক্যামেরা অ্যাডজাস্ট করেছে এক নগ্ন পুরুষ। কিছুক্ষণ পর মহিলাটির দিকে হেঁটে এগোনো শুরু করে পুরুষটি। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মহিলা জানান, মহিলার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পুরুষটি। মিশনারি পজিশনে যৌনদৃশ্য। তারপরই বুঝতে পেরে ভেঙে পড়েন তিনি।


হাত-পা কাঁপতে থাকে। কীভাবে হল এমন? নিজের ভিতরে অনুতাপে পুড়তে থাকেন ওই মহিলা। বলেন, “ওটাই আমার জীবনের দেখা শেষ পর্ন।  অ্যামেচার ভিডিও।” ওই পর্ন ভিডিও দেখার সময় শুরুতে নিজের মাকে দেখে বিস্ময়ে কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারপর ক্যামেরার ওপাশের ব্যক্তিকে দেখার পরই সব ধন্দ দূর হয়ে যায়। তাঁর মা নিজেও ভিডিওতে সাদরে অভ্যর্থনা জানায় ওই পুরুষকে।


 সেটা যে তাঁর বাবা, আর তা নিয়ে কোনও দ্বিধা থাকে না। মহিলা এই বীভৎস ঘটনাক স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “আমি সেই মুহূর্তে দৌড়ে গিয়ে ভিডিও প্লেয়ার বন্ধ করিনি। কিন্তু মনে হয়েছিল, আমার পা চিরকালের মতো ভারী হয়ে গিয়েছে। ভিডিও প্লেয়ার পর্যন্ত যাওয়ার ক্ষমতাই নেই। আমি চিৎকার করছি, এটা হতে পারে না। কিন্তু আমার গলা থেকে যেন আওয়াজই বেরোচ্ছে না।” এই ঘটনার ধাক্কা কাটাতে পেরিয়ে গিয়েছে যৌবন। এখন অনেকটাই সাবলীল জীবন। মা-বাবাকে এই ঘটনার কথা কখনও জিজ্ঞাসা করেননি।



  পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad