"সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে, গুণবান পতি যদি থাকে তার সনে।"
সংসার মানেই স্বামী-স্ত্রীর যৌথ বাসস্থান। আর তাই একে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার দায়িত্বও উভয়ের উপরেই বর্তায়। এর জন্য সম্পর্কে ভালোবাসা, বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু এর পাশাপাশি আর একটি জিনিস থাকাও বাঞ্ছনীয়, সেটি হল দুজনের মতের মিল।
একটু অবাক হলেন নিশ্চয়ই! কিন্তু ভেবে দেখুন তো, খুব ভুল কিছু বললাম কি? স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যতই ভালোবাসা থাকুক না কেন, মতের অমিল যদি হয়, তাহলে সে সম্পর্কে তিক্ততা আসতে বেশি সময় নেয় না। ফলস্বরূপ একটি সুন্দর সুস্থ সম্পর্ক ভেঙেও যেতে পারে। আসলে মতের অমিল শুধু স্বামী -স্ত্রীর মধ্যে নয়, সংসারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও হতে পারে। এমনকি কর্মজীবনেও এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। আর এই মতের অমিল থেকেই সূত্রপাত হয় নানান অশান্তি, ঝগড়া, মনোমালিন্য। তাই আমাদের উচিৎ মতের অমিলগুলো যতটা সম্ভব কম করা যায়, তার চেষ্টা করা।
প্রথমেই আসি সংসারের কথায়। এটা খুবই স্বাভাবিক যে দুজন মানুষের মধ্যে মতের অমিল থাকতেই পারে। তবে তার মানে এই নয় যে, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সব কথার বিরোধিতা আপনাকে করতেই হবে। এমনটা হতেই পারে পরিস্থিতি অনুযায়ী সেই সময় তিনি ঠিক। তাই সেদিকটা লক্ষ্য রেখে আপনি নিজেই তাকে সমর্থন করুন। দেখবেন পরবর্তীতে তিনিও আপনাকে এভাবেই সমর্থন করবেন।
কোনো খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে মতের অমিল হলে দুজন মিলে তা আলোচনা করুন, দেখবেন ঠিক সুষ্ঠ সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে।
কখনও নিজের মনের কথা চেপে রেখে সম্পর্কে অসন্তোষ সৃষ্টি করবেন না। মনের কথা খুলে বলুন। দেখবেন অর্ধেক সমস্যা এমনিই সমাধান হয়ে গিয়েছে।
এবার আসি কর্মক্ষেত্রে- কর্মজীবনেও আমরা এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই, যেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে মতের অমিল হয়ে থাকে। এই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আসার পথও হল সুষ্ঠ আলোচনা। একে অপরের সমস্যা বুঝে একটু সহনশীল হতে হবে সকলকেই। তবে যদি কারো সাথে মতের অমিল অত্যাধিক পরিমাণে বেড়ে যায়, তবে তাকে এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সবশেষে এটাই বলব, দুজন ব্যক্তির মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তা বলে একে কখনোই নিজেদের ওপর ভর হতে দেবেন না। এর জন্য পরস্পরকে বোঝার চেষ্টা করুন। একে অপরের পাশে দাঁড়ান। উভয়ের মতামত মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। দেখবেন সব কিছুই কত সহজ হয়ে গেছে।
source https://www.misshotnews.com/2019/10/relation-news12.html



No comments:
Post a Comment