দেবশ্রী মজুমদার: বীরভূমে ২৭০০ বুথ। পুলিশ কয় জায়গায় সামাল দেবে। বেশি না ১৫০০ বুথে রাস্তা অবরোধ করুন। পুলিশ কয় জায়গায় হবে। আন্দোলন পুলিশের বিরুদ্ধে নয়, থানার ওসির বিরুদ্ধে করুন। বিধান সভা নির্বাচনে ৭০টাতে আঁটকে দেব তৃণমূলকে। শহিদ স্বরূপ মঞ্চ থেকে এভাবেই সৌমিত্র খাঁ হুশিয়ারি দিলেন। অর্থনীতিভাবে থানাকে দুর্বল করে দিন।
গাড়ি পিছু টাকা তোলা বন্ধ করুন আন্দোলনের মাধ্যমে। থানা আপনার কাছে ছুটে আসবে। এরপর তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পাচ্ছেন। তিনি এত গণ হত্যার নায়িকা। তিনি ভয় পাচ্ছেন। স্বরুপ গড়াইয়ের মৃতদেহ যদি কালিঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে কোলকাতার মানুষ তাঁর স্বরূপ বুঝতে পারবেন। এই মৃতদেহের উপর আন্দোলনের উপর আন্দোলন করে উঠে এসেছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেক দিন যেভাবে গণহত্যা করছেন, চুরি করে বীরভূম জেলার এসপি ও কিছু পুলিশ অফিসার চুরি করে মৃতদেহ নিয়ে এসেছেন। তার মানে ভেবে দেখুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতটা ভয় পেয়েছেন। এই খুনে মূল অভিযুক্ত কেরিম খানের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি বলেন, বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নেই। পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য অনুব্রত মণ্ডল বিজেপিতে আসার জন্য চেষ্টা করছেন।
তিনি হত্যার নায়ক, উনাকে আমরা দলে নেব না। শহিদ স্বরূপ মঞ্চ থেকে সৌমিত্র খাঁ বলেন, যেভাবে বাঁকুড়া থেকে তৃণমূলকে সরিয়েছি। সেভাবেই বীরভূমকে তৃণমূলমুক্ত করব। তৃণমূলে অনুব্রত মণ্ডলের সাথে রাজনীতি করেছি। এই অনুব্রত মণ্ডলের উপর বিষ্ণুপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমি জেলায় ঢুকতে পারি নি। তৃণমূলে ঢুকে যত পাপ করেছি। বিজেপি নেতৃত্বকে ধন্যবাদ। আমাকে বীরভূমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং যেখানে যাবেন, সেখানেই তৃণমূল নিকেশ হবে।
পুরুলিয়ায় তাই হয়েছে। এই শ্যাম সিং অনেককেই গাঁজার কেস দিয়েছেন। আজকে গণহত্যা করা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের থানার ওসিরা এবং তৃণমূল নেতৃত্ব, অনুব্রত মণ্ডল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এখানে (বীরভূমে) গণহত্যা চলছে। সেজন্য সাংসদ হিসেবে দল দায়িত্ব দিয়েছে, বীরভূমের যারা নেতৃত্বে আছেন তাঁদের নেতৃত্বে কাজ করার জন্য। সেই কাজ করার জন্য একজন কর্মী হিসেবে আমি এসেছি।
পি/ব
No comments:
Post a Comment