প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১২২ উপনচৌকি কুচলিবাড়ি গ্রামে প্রেম করে বিয়ে , তার পর রেজিস্ট্রি বিয়ে ,হয় সামাজিক বিয়েও ৷ কিন্তু ,বিয়ের পরই শশুরবাড়ির লোকেদের অত্যাচারে জেরে বাধ্য হয়ে বাপের বাড়িতে আশ্রয় নেন যুবতি ৷ স্ত্রীকে বাপের বাড়িতে রেখে বাড়ি কোন এক চাকরির নাম করে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান যুবক ৷ বউকে নিজের বাড়িতে রেখে কাজের সন্ধানে যাওয়ার নাম করে পালিয়ে যান ওই যুবক৷ অভিযোগ শশুরবাড়ি ঢুকতেই চলে মারধোর ,ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামি সহ দুইজন গ্রেপ্তার৷ অভিযুক্ত যুবকের নাম রাহুল আমিন। একই গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা শফিউল রহমানের কন্যা অঞ্জনা খাতুন নামে যুবতীকে প্রেম করে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে নিয়ে যায় ৷
গত ৬ই জানুয়ারি বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হয় । প্রশাসনিক ভাবেও রেজিস্ট্রি করে সেই বিয়ে হয় এবং তাদের মুসলিম রীতি অনুসারেও বিবাহ সম্পন্ন করা হয় । প্রেম করে বিয়ে করার অপরাধে যুবকের পরিবারের লোকের অসহযোগিতার জন্য ওই যুবক রাহুল আমিন তার স্ত্রীকে নিয়ে তার শশুর বাড়িতে(মেয়ের বাপের বাড়িতে ) ৩ মাসের মতো ছিলেন । মাস তিনেক থাকার পর তারা নিজের বাড়িতে ফিরেও যান এবং অভিযুক্ত যুবক স্ত্রী কে বাড়িতে রেখে চাকরির ইন্টারভিউ এর নাম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ ।
অভিযোগ ,এরপর যুবক বাড়িতে না থাকায় ওই গৃহবধূর ওপর শুরু হয় অত্যাচার ।শশুরবাড়িতে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পুনরায় বাধ্য হয়ে ওই যুবতি তার বাপের বাড়ি চলে যান ।গত ৩ ই সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত যুবক বাড়ি ফেরে , বিয়ের আট মাস পরে যখন বাড়ি আসলো সেই কথা জানতে পেরে যুবতি ছুটে আসে শশুরবাড়িতে ৷অভিযোগ ,নিজের স্বামীর বাড়ি ঢুকতেই শুরু হয় প্রকাশ্যে মারধোর ৷টেনে হিঁচড়ে বাড়ি থেকে বের করার জন্য চলে অত্যাচার ৷ শেষপর্যন্ত শশুর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয় না ।
ঘটনার কথা শুনে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশ পৌঁছায় ৷ওই গৃহবধূকে উদ্দার করে থানায় নিয়ে আসে ৷জানা গেছে ওই যুবতি অত্যন্ত গরীব পরিবারের ,থানায় এসেও কোন সুবিচার না মেলায় থানায় মধ্যেই গত বুধবার ধারণায় বসেন সুবিচারের আশায় ৷ এরপর , কুচলিবাড়ি থানায় পরিবারের স্বামি সহ আট জন সদস্যের নামে অভিযোগ দায়ের করেন ।পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত স্বামি রাহুল আমিন এবং পরিবারের সদেস্য বাবুল হোসেন নামে দুই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন ।
কে
No comments:
Post a Comment