সুদেষ্ণা গোস্বামী: জমিদারির রং নেই তবুও ভাঙাচোরা অট্টালিকা থেকে ঝলকানি মারে শরতের সোনালী রোদ।বাঁকুড়ার ময়নাপুর এর চণ্ডীচরন মুখোপাধ্যায় ছিলেন জমিদার। দালানকোটার প্রাসাদে তিনি স্বাচ্ছন্দে থাকতেন কিন্তু মা থাকতো মাটির ঘরে।একদিন স্বপ্নাদেশে খুব অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। তারপর বানিয়ে দেন মায়ের জন্য পাকা ঠাকুরদালান।
২৮০ বছর আগে বানানো হয় এখানকার পাকা ঠাকুরদালান। ইটের পাঁজরে আগাছাড়া এখানে স্মৃতি বহন করছে কিন্তু যখনই শরতের আগমন হয় ধ্বংসস্তূপে সারা বছরের অপেক্ষার শেষ হয় কারণ মা আসেন সশরীরে সেখানে। এখানকার ঠাকুরদালানে পুজোর রং লাগে নিয়ম মেনে রাঙা দালানের ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয় উমা।
জমিদার বাড়ির পুজো বলে কথা। ১৭৯১ সালে প্রথম এখানে পূজার প্রচলন হয় আগে ঠাকুরদালানে ঝাড়বাতির আলোর ছটায় বসতো যাত্রা পালা ,রামায়ন গান, পুতুল নাচ। সময়ের ফেরে জমিদারীতে ধ্বস নেমেছে কিছুটা টাল খেয়েছে আরম্বর। চণ্ডীমণ্ডপের আটচালাতে আগে এখানে যেমন অনুষ্ঠান হতো এখন আর সেরকম হয়না তবে এখানে এলে জমিদারির পুরনো গন্ধ আপনাকে নস্টালজিক করবে ই।
পি/ব
No comments:
Post a Comment