সুদেষ্ণা গোস্বামী: আপনার সন্তান কি বয়সন্ধি সবে বেরিয়েছে? তার হাতে কি রয়েছে একটা স্মার্ট ফোন? খুব সাবধান কারণ বিপদ কিন্তু তার চার ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আজকালকার ছেলেমেয়েরা বাবা-মার কথা শুনতে চায় না তারা নিজেরা এতটাই স্বাধীনচেতা যে বিপদ হয়ে যাবার পর বুঝতে পারে এটা আমার ভুল ছিলকিন্তু সেই ভুলের মাশুল এতটাই মারাত্মক হয়ে ওঠে যে তার জীবনটা বরবাদ হয়ে যায়।
ফেসবুক এমন একটা যায়গা যেখানে পরিচয় হয় অচেনা মানুষের সাথে। হাতছানি থাকে ভালো মানুষের তবে তরুণ প্রজন্ম বুঝতে পারে না যে এই ভালো মানুষের হাতছানি আসলে একটা মুখোশের আড়ালে থাকা শয়তানের । ফাঁদে পড়ে যায় বিপদের। ধীরে ধীরে তাদের গ্রাস করতে থাকে বিপদের পর বিপদ। কত মহিলা ও পুরুষের হাতছানি থাকে প্রেমের তা আমাদের সকলেরই অজানা নয়।
এই মানুষগুলোর ভালোবাসার আড়ালে কি ভয়ঙ্কর বিষাক্ত চিন্তা-ভাবনা কাজ করছে তা অভিভাবকদের পুরোপুরি ধরাছোঁয়ার বাইরে। মোবাইলগুলো ফিংগার লক এবং ফেস লক হয়ে যাওয়াতে বাবা-মার পক্ষে সন্তানের মোবাইল চেক করা অসম্ভব হয়ে উঠছে। তার ফলে তাদেরকে সাবধান করে দেওয়ার ক্ষমতা টুকু থাকছেনা তাদের। বিপদ এসে দাঁড়াচ্ছে সন্তানের সামনে তার ফলে কত রকমের ক্রাইমে জড়িয়ে পড়ছে একের পর এক।
তরুণ প্রজন্মের বোঝার মত ক্ষমতা থাকে না কোনটা ঠিক কোনটা ভুল।তারা এতটাই সাদাসিদে ও আপনভোলা হয় যে চট করে বিশ্বাস করে নেয় বিপরীত পক্ষের মানুষটিকে। ফলস্বরূপ জড়িয়ে পড়ে বিপদে সঙ্গে চলে পুলিশ প্রশাসনের তদারকি। তাই তরুণ প্রজন্মরা সাবধান হও। নিজের জীবনটাকে বাঁচাতে অচেনা ,অজানা লোক যত ভালই হোক ,যত আন্তরিক ই হোক। তার ফাঁদে পা দেওয়া চলবে না এটাকে ধ্যান জ্ঞান করে নাও , সাবধান হও।
পি/ব
No comments:
Post a Comment