সুদেষ্ণা গোস্বামী: প্রাচীনকাল থেকেই খাবার পরে এক বাটি দই খাওয়ার নিয়ম চলে আসছে। অনুষ্ঠান বাড়ি বলুন আর নিজের ঘরেই বলুন সব জায়গাতে দই এর চল আছে এখন ও। এই দইয়ের মধ্যে রয়েছে সুস্বাস্থ্যের সমস্ত উপাচার। দই হচ্ছে স্বাস্থ্য বর্ধক খাদ্য। যারা দুধ হজম করতে পারেন না তারা দই অনায়াসে খেতে পারেন। মিল্ক ফার্মেন্টেশন এর ফলে যে দই তৈরি হয় তাতে অনেক বায়ো একটিভ পুষ্টিগুণ পদার্থ থাকে যেগুলোর ওষধিগুণ অত্যন্ত বেশি।
দইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে বয়স্কদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম দই খাওয়া গেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। দই তে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, বিলরুবিন, ভিটামিন বি টুয়েলভ এছাড়াও আরও দশটি পুষ্টিগুণের অপূর্ব সমন্বয় রয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন যদি আপনি দই খান তাহলে হার্টের রোগ প্রতিরোধ করাও অসম্ভব। মহিলাদের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এবং ফলিক এসিডের চাহিদা মেটাতে এর গুন অনেক। দইএকটি সহজপাচ্য খাবার এটি খেলে ওজন বৃদ্ধির সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং এর সাথে ক্যাপসিকাম খেলেও ফ্যাট কমানো সম্ভব হয়।
পি/ব
No comments:
Post a Comment