প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ; যৌনতা সংক্রান্ত যে কোন বিষয়েই মানুষের অধিক জানার ইচ্ছা। অনেকেই আছেন যৌন বা যৌন সঙ্গম নিয়ে খোলামেলা আলোচনা পছন্দ করেন না। কিন্তু সকলেই কম বেশী হলেও জানেন যে রোজকার খাওয়া , ঘুম , স্নান , বা আর পাঁচটা স্বাভাবিক জীবনযাপনের অঙ্গ হিসাবে একটা হল যৌন সঙ্গম বা যৌনতার ইচ্ছা। প্রাচীনকালের সবচেয়ে বড় গ্রন্থ বা পুরান ঘেটে পাওয়া যৌনতার কাহিনী থেকে যৌনতা বিষয়ক কিছু তথ্যের সন্ধান যা অনেকের কাছেই অজানা ।
১। প্রাচীন ভারতের ধর্মগ্রন্থে ব্যখ্যা পাওয়া যায় মুনি , ঋষি , অপ্সরারা খোলা আকাশের নীচে অত্যন্ত সাবলীল ভাবেই যৌনতা বিষয়ক আলোচনা করতেন। এমনকি জানা যায় মহারাজ রঞ্জিত সিং নামে এক রাজা ছিলেন যিনি মানুষের সামনেই যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতেন। নারী পুরুষ বাজার ভর্তি লোকের সামনেই যৌন সঙ্গম করতেন।
২। নিজের রক্তের সম্পর্কে যৌন মিলন পাপ বলে গণ্য করা হয় বর্তমান সমাজে। যা নিন্দনীয়। কিন্তু জানা যায় দেবর্ষি নারদের জন্ম হয় নিজের সম্পর্কের সুত্র ধরেই। কথিত আছে দেবর্ষি নারদের মায়ের সাথে দেবর্ষি নারদের ঠাকুরদার যৌন মিলনে জন্ম নেন দেবর্ষি। সমকামিতাও প্রাচীন ভারতে ছিল। এটি স্বাভাবিক ভাবেই নেওয়া হত। এটিকে অধর্মের চোখে দেখা হতনা।
৩। প্রাচীন ভারতে প্রচলিত বেশিরভাগ খেলাধুলাই ছিল যৌনতায় ভরপুর। যেমন, ‘ঘাটকাঞ্চুকি’এই খেলায় নারী ও পুরুষ উভয়কেই অংশগ্রহণ করতে হত। এবং অংশগ্রহণকারী সকল নারী পুরুষই যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতেন।
৪। কোন নারী বা পুরুষ যদি বিবাহের আগে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয় তাহলে তার চরিত্রে ত্রুটি আছে – এমনটাই মত বর্তমান সভ্য সমাজের মানুষজনের। কিন্তু হয়ত অনেকেই জানেন না যে প্রাচীনকালে অবিবাহিতা নারীরা কোন পুরুষের কাছে যৌন মিলনের কামনা করলে সেই পুরুষকে পূরণ করতেই হত। যদি নারীর সেই ইচ্ছা না মানা হয় তাহলে সেই পুরুষ ধর্মভ্রষ্ট হতেন। এ যুগে পরকীয়া মানে খুনের সমান এমনটাই মানুষের কথাবার্তায় বহিঃপ্রকাশ পায়। কিন্তু প্রাচীন ভারতে পরকীয়া ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়।
পি/ব
No comments:
Post a Comment