সুদেষ্ণা গোস্বামীঃ প্রায় ৩০০ খ্রিস্টাব্দে তিরুমালা পর্বতে নির্মিত হয় তিরুপতি মন্দির। রোজ প্রায় ১ লক্ষ ভক্ত এখানে সমাগম হয়। যদি কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান থাকে তাহলে সেটি ছাড়িয়ে তিন লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। এই এক লক্ষ ভক্তের অর্ঘ্য হিসেবে ভেঙ্কটেশ্বর পান প্রতিমাসে গড়ে ১০০ কেজি সোনা। সে ক্ষেত্রে স্বর্ণের পরিমাণ বার্ষিক ১.২ টন। ভেঙ্কটেশ্বর এর রত্নভাণ্ডার আছে ৩৫০ টন সোনা।
এই বালাজি ভগবান নগদ অর্থে দক্ষিনাপান অনেক টাকা। তার থেকে ব্যাংক থেকে সুদ আসে প্রায় ৩ কোটি টাকা।এবং মন্দিরের দান বক্সে অনেকে শেয়ার সার্টিফিকেট প্রদান করেন। ভগবানের জন্য যে দেড়লক্ষ লাড্ডু তৈরি হয় তা থেকে ভক্তদের কাছ থেকে আসে বছরে ১১ কোটি টাকা। ভেঙ্কটেশ্বর এর শরীরে প্রায় এক হাজার কোটি সোনা জরানো। তাহলে বুঝতেই পারছেন এই ভেঙ্কটেশ্বর এর বিষয়-সম্পত্তি ধনরত্ন কতটা।
কিন্তু তবুও ভক্তেরা এখানে সোনা দান করেন কেন জানেন? বিবাহের সময় ভগবান বিষ্ণু কুবেরের কাছে ঋণ নিয়েছিলেন সেটা ছিল বিশাল অংকের টাকা। বলা হয় কুবেরের কাছে ঋণ করলে সে রিন নাকি সোধ হতে চায় না। তাই ভক্তেরা আজও ভগবানের দেনা শোধ করে যাচ্ছে। চলুন এবার জেনে নিই কেন চুল দেওয়া হয় তিরুপতি কে। গল্প আছে যে এক মেষপালক অজান্তে নাকি আঘাত করে বসে ভেঙ্কটেশ্বরের মাথায়।
এর ফলে তার একটা সাইডে চুল খসে পড়ে এবং সেখানে চুল নাকি নতুন করে গজায় নি। গান্ধর্ব রাজের কন্যা সহ্য করতে পারেননি এই ঘটনা। তিনি মন্ত্রবলে নিজের চুল কেটে ভগবানের মাথা বসিয়ে দেন তাই ভক্তেরা আজও চুল দান করে আসে ওখানে। আর এই চুল বিক্রি করে মন্দিরের পায় ২০০ কোটি টাকা। পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের পর, তিরুপতি মন্দির দ্বিতীয় যার অর্থ সম্পত্তি এত।
পি/ব
No comments:
Post a Comment