নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পুতুলের বিছানা থেকে হঠাৎ পড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে এক ক্ষুদের। কিন্তু কোন সময়ের জন্য কাছ ছাড়া করে না তার খুদে পুতুলকে। বাধ্য হয়েই তাকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন বাবা-মা। খুদে তখন যন্ত্রণায় ছটফট করছে। কিন্তু খুদে মেয়েটির গোঁ-- কিছুতেই পায়ে হাত দিতে দেবে না। এদিকে যন্ত্রণায় ছটপট করছে! কী আর করা যায়!
তাই বাধ্য হয়েই রোগীর পরিবর্তে তার পুতুলের পায়ের যত্ন নিতে তখন ব্যস্ত চিকিৎসক। অবাক যতই হোন না কেন, এই ঘটনার সাক্ষী দিল্লির লোকনায়ক হাসপাতাল। শিশুর মা এক অভিনব ফন্দি আঁটলেন। প্রিয় পুতুল পরী ওরফে তার সোনাকে অনুকরণ করাই অভ্যাস জিকরার। তাই মেয়ের পায়ের চিকিৎসায় পুতুলকে কাজে লাগানোর কথা ভাবলেন তিনি। খুদের বাবাকে বাড়িতে পাঠালেন।
আনলেন জিকরার প্রিয় পুতুল পরীকে। তখন চিকিৎসকরা খেয়াল করেন কান্নাকাটি যতই করুক না কেন জিকরা তার প্রিয় পুতুল পরীকে এক মুহূর্তও হাতছাড়া করে না। চিকিৎসক ভাবলেন একটু অন্যরকম পদ্ধতিতে খুদেকে পায়ে প্লাস্টার করতে রাজি করাবে। তাই বুঝিয়ে শুনিয়ে জিকরার কাছ থেকে তার প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে নেন চিকিৎসকরা।
ওই পুতুলের পা প্লাস্টার করে ট্রাকশন দিয়ে উপরে তুলে দেন। এরপর পালা খুদের। পুতুলকে ওভাবে দেখে সাহস পায় জিকরা। রাজি হয়ে যায় পা প্লাস্টার করতে। তার পা প্লাস্টার করে ট্রাকশন দিয়ে তুলে দেওয়া হয়।
পি/ব
No comments:
Post a Comment