নিজস্ব প্রতিনিধিঃ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি যখন তুমি আমায় পাগল বলো, ধন্য হয় যে সে পাগলামি ধন্য আমি ধন্য হে, পাগল তোমার জন্য যে ।। মান্না দের এই গান বাঙালি সঙ্গীত প্রেমীদের মনজুড়ে! পত্নীপ্রেম মান্নাদের গানে যেভাবে পাই, তেমন প্রেম, তেমন পাগলামি দেখা যায় রাজস্থানের এক স্কুলশিক্ষকের জীবনে। অবসরের দিন স্ত্রীর জন্য চপার ভাড়া করে তাঁকে উড়িয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন রাজস্থানের ওই স্কুলশিক্ষক।
আলোয়ার জেলার মালাওয়ালি গ্রামের বাসিন্দা, রমেশচন্দ মীনা নামে ওই শিক্ষক এজন্য দিল্লি থেকে প্রায় চার লক্ষ টাকা দিয়ে একটি চপার ভাড়া করেন। গর্বিত কর্তা বললেন, ‘আমার দীর্ঘ দিনের শখ ছিল গিন্নির সঙ্গে চপারে করে আকাশে উড়ব। ঘটনার সূত্রপাত, অনেক দিন আগেই। তিনি বলেন, একদিন আমরা বাড়ির ছাদে বসেছিলাম, তখন আকাশ দিয়ে একটা চপার যেতে দেখে আমার স্ত্রী আমায় প্রশ্ন করেছিলেন, এগুলির ভাড়া কত।
তখনই আমি ভেবেছিলাম একদিন ওঁর শখ পূরণ করব। সেটা এতোদিনে সত্যি হল।’ ৩৪ বছরের কর্মজীবনের শেষ চার বছর সিরোহির একটি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন রমেশ। শনিবার ছিল তাঁর অবসর উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। সেখানে রাজস্থানি পোশাকে উপস্থিত ছিলেন রমেশ এবং র স্ত্রী।
অনুষ্ঠান শেষে চপারে ১৮ মিনিটের উড়ান শেষে মালাওয়ালি গ্রামে ফেরেন তাঁরা। মায়ের ইচ্ছাকে বাবা এভাবে সম্মান জানানোয় বাবাকে নিয়ে নিজের গর্ব এবং উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি রমেশের ছেলেও। চপার থেকে সস্ত্রীক রমেশকে নামতে দেখার জন্য গ্রামের মাঠে ভিড় জমে যায়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগে থেকেই ঘটনাস্থলে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করেছিল লক্ষ্মণগড় থানা। উপস্থিত ছিলেন এএসআই দেশরাজ, মেডিক্যাল ইন–চার্জ আনোয়ার খান এবং তহসিলদার ভোলারাম।
পি/ব
No comments:
Post a Comment