সুদেষ্ণা গোস্বামীঃ ১৬১০সাল যে ধারা বজায় রেখেছিল, এই কলিযুগে তার বংশধরেরা সেই ধারাবাহিকতায় করে যাচ্ছে মায়ের আরাধনা। ত্রিধারায় এখানে পুজো হয় শৈব ,বৈষ্ণব এবং সাক্ক।
রামচন্দ্র যে পদ্ধতিতে দুর্গা মপুজো করেছিলেন সেই পদ্ধতি মেনে সংস্কৃত শ্লোক এ দক্ষ পন্ডিতের হাত ধরে় পুজো হয় এখানে।দুর্গা পুজোর আগে প্রতিদিন করা হয় তাদের কোন দেবতা রাধামাধবের পুজো। সকালবেলায় বিভিন্ন ফলের ভোগে মাকে খুশি করা হয়। দুপুরে থাকে পঞ্চব্যঞ্জনে মায়ের ভোগ। মা যেহেতু সদবা তাই তার ভোগে প্রতিদিন থাকে মাছ।
সন্ধ্যে পুজোতে এখানে একটি লেটা মাছ পুড়িয়ে মাকে অর্পণ করা হয়। আগে এখানে ছাগ বলি হত কয়েক বছর যাবত সেই বলি বন্ধ করা হয়েছে। এই জমিদার বাড়ীর একাত্মতা খুব সুন্দর। এখানে সবাই হাতে হাত মিলিয়ে মায়ের পুজো তে মাতেন। মোগল আমল থেকেই মোগলদের সাথে তাদের বন্ধুত্ব। আজও সেই বন্ধুত্ব ত্বজায় রেখেছেন তারা। মোগল পরিবারের সাথে সম্পর্ক রেখে।
পরবর্তী প্রজন্ম যাতে এই পুজো ঐতিহ্য ঠিকঠাক বহন করে নিয়ে যেতে পারে সেজন্য তাদেরকে নিয়ে শুরু থেকে শেষ অব্দি মেতে ওঠেন বড়রা। পুজোর শেষদিনে মাকে কৈ মাছ ,পান্তাভাত ,চালতা, কচু শাক বিশেষ করে দেওয়া হয়ে থাকে। এখানেই শেষ নয় এই জমিদারবাড়ির বনেদিয়ানা জানতে গেলে আপনাকে অবশ্যই আসতে হবে এই বাড়ি ঠাকুরদালানে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment