নন নেট ফেলোশিপ গবেষকদের অনশন আন্দোলন - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 21 September 2019

নন নেট ফেলোশিপ গবেষকদের অনশন আন্দোলন




দেবশ্রী মজুমদারঃ    নন নেট ফেলোশিপ গবেষকদের একদিনের প্রতীকী অনশন আন্দোলন।    জানা গেছে,  নন নেট ফেলোশিপের বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে, নননেট ফেলোশিপ না নেওয়ার জন্য গবেষকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়ার প্রতিবাদে এবং বর্তমানে ভর্তি হওয়া গবেষকদের জন্য ফের এই ফেলোশিপ চালু করার দাবিতে  বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিশ্বভারতীর গবেষকদের এই অনশন আন্দোলন।


 আন্দোলনরত পদার্থবিদ্যার গবেষক অমিত মণ্ডল বলেন, আমরা আপাততঃ একদিনের প্রতীকী অনশন আন্দোলন করছি। সকাল থেকে এই অনশন চলছে এবং রাত ৮টা পর্যন্ত এই অনশন চলবে।  এখনও পর্যন্ত উপাচার্য আমাদের সাথে কথা বলতে আসেন নি। উনি একটা মিটিংয়ে ব্যস্ত আছেন। আমাদের সাথে কথা না বলে বেরিয়ে গেলে, আমরা তার গাড়ির আঁটকে কথা বলার চেষ্টা করব এবং আমাদের ঘেরাও কর্মসূচী গ্রহণ করব।   



অমিত মণ্ডল বলেন, ২০১৬-১৮ বর্ষে ২৪ মাসের মধ্যে ৮ মাসের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। ১৬ মাসের বকেয়া আছে। ২০১৮তে ফেলোশিপের  একবছরের টাকা বাকি আছে। ২০১৯ সালে যে গবেষকরা ভর্তি হয়েছে, ভর্তির সময় তাদের অগণতান্ত্রিক ভাবে মুচলেখা নেওয়া হয়েছে, যে তারা ফেলোশিপ চাইতে পারবে না।  কিন্তু ইউ জি সি যেখানে ফেলোশিপ দিচ্ছে, সেখানে বিশ্বভারতী কি করে ফেলোশিপ দেব না বলতে পারে?         



 শনিবার  কেন্দ্রীয় ভবনের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন প্রায় শ’খানেক রিসার্চ স্কলাররা। অভিযোগ, তাঁদের প্রাপ্য টাকা অন্যায়ভাবে বিলম্বিত করছে, মুচলেখা লিখিয়ে নিয়ে ফেলোশিপ দেওয়া বন্ধ করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। আর তাতেই বিভিন্ন আসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন তাঁরা। এর ফলে এম ফিল মিলে প্রায় ৬০০ গবেষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।  জানা গেছে,  মি ফিল গবেষকদের জন্য ৫ হাজার এবং পি এইচ ডি গবেষকদের জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হয়।  ২০১৯ সালে  ভর্তি হওয়ার সময় তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে  কোন ফেলোশিপ নন নেট স্কলারদের দেওয়া হবে না।



 যদিও পরে তাঁরা জানতে পারেন ইউ জি সি অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন নন নেট স্কলারদের ক্ষেত্রে এই বৃত্তি দিয়ে থাকে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রেট পাশ করেন। কিন্তু বিশ্বভারতীর কারণে তারা এই অর্থ পাচ্ছে না। ২০১৮ সালের  ৩০ অগাস্ট তাঁদের আবেদন নেওয়া হয়। সেই  বছরের ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমস্ত টাকা দেওয়ার কথা ছিল। ৩ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। সেদিন  বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসচিব তাঁদের লিখিত না দিলেও কথা দেন ১ ডিসেম্বর তাঁদের দেয় অর্থ বিশ্ববিদ্যালয় দেবে।



তার প্রেক্ষিতে  আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ২০১৯ সালের মার্চে ফের এই নননেট ফেলোশিপের আন্দোলন হয়।  এক গবেষক জানান, ২০১৬ সালে যারা পি এইচ ডি রেজিস্টেশন করেছে তাদের দু’লাখের বেশী টাকা আঁটকে রয়েছে। ২০১৭ সালেও নন নেট ফেলোশিপের প্রায় লাখ টাকা বাকি পড়ে আছে। আন্দোলনের ফলে নন নেট ফেলো শিপের ক্ষেত্রে এক তৃতীয়াংশ টাকা দেওয়া হয়।



বাকী দুই তৃতীয়াংশ টাকা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। তখন বিশ্বভারতীর তরফে বলা হয়, মার্চ ৩১ তারিখ আসন্ন। এই ইয়ার এণ্ডিংয়ের কারণে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। জুলাই অগাস্ট দেওয়া হবে। সেই জুলাই –অগাস্ট শেষ। তাই গবেষকরা ফের আন্দোলনে নেমেছে। এব্যাপারে যথারীতি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।



পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad