সুদেষ্ণা গোস্বামী: বাড়িতে কাজের বৌ থাকলেও জালা,না থাকলেও জালা। কাজে আসতে দেরি থেকে মুখ ঝামটা সবই সহ্য করতে হয় বাড়ির কর্ত্রী কে। কিছু করার নেই করতেই হবে যদি আপনি হন কর্মরতা বা শারীরিকভাবে অপারক। তারপর আছে মাসে মাসে টাকা বারাও রে পুজোর সময় একসট্রা বোনাস দাও যে এসবের হুমকি। আবার অপেক্ষায় পথ চেয়ে বসে আছেন অথচ সে এলোইনা দিনের-পর-দিন কামাই।
আমারতো মনে হয় ভাগ্য করে ভালো কাজের লোক খুব কম লোকেরই জোটে। আপনার ভাগ্য যদি ভালো থাকে বিশ্বস্ত কাজের লোক পেয়ে যেতেই পারেন। কিন্তু যে কথাগুলো আমি বললাম সেগুলো ঘর ঘর কা কাহানী। যদি মনে করেন কাজের লোক রাখবেন না তাহলে ধ্যান দিতে হবে কতকগুলি বিশেষ দিকের উপর। যদি শারীরিকভাবে অপারক হন। তাহলে তাদের এই যন্ত্রণা সহ্য করতেই হবে কিছু করার নেই।
কিন্তু আপনি যদি ওয়ার্কিং ওম্যান হয় তাহলে প্ল্যানিং করে নিন কাজের। দেখবেন আপনার কাজও তাড়াতাড়ি হবে এবং কাজের লোকের জন্য অপেক্ষা ওকরতে হবে না। রাতের বেলায় জামা কাপড় কেচে রেখে দিন সকালবেলা অফিস বেরোনোর আগে মেলে বেরিয়ে যান। রাতের বেলাতেই এগিয়ে রাখুন রান্নার কাজ , বাসন ধোয়ার কাজ, সন্তানকে নিয়ে আসুন রান্নাঘরে একটা ছোট টুল দিয়ে দিন, তার পড়াশোনা দেখভাল করুন।
বাজার থেকে কিনে আনুন ঘর মোছার মপ। মুফটি হালকা দেখে কিনবেন না হলে ঘর মুছতে অসুবিধা হবে। ঘরেই ফিনাইলআর নুন ছড়িয়ে দিন একটা টুলের উপর রেখে দিন ঘর মোছার বালতি দেখবেন আপনার কাজ অনেক হয়ে যাবে। কাজের লোকের থেকে অনেক পরিস্কার ঘর মুছবেন আপনি। সপ্তাহে দুদিন মছলেই যথেষ্ট।
সময় কিভাবে বার করবেন ওকল্যান্ড করবেন এটা আপনার চাকরি এবং অন্যান্য কাজের উপর নির্ভর করছে। তবে প্ল্যানিং খুব জরুরি। সবশেষে বলি নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখবেন কিছুটা সময় এক্সারসাইজ করে নেবেন এতে আপনি খুশি বুষ্ট আপ হবেন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment