দেবশ্রী মজুমদার: নন -নেট ফেলোশিপের বকেয়া অর্থ মেটানো ও স্থগিত রাখা নননেট ফেলোশিপ সচল রাখার দাবিতে বিশ্বভারতীতে অবস্থান বিক্ষোভ। কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে হাতে পোস্টার নিয়ে তারা শ্লোগান দিতে থাকে। এদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্বভারতীতে ধর্ণা বিক্ষোভ চলে। যদিও এব্যাপারে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কোন মন্তব্য করতে চায় নি।
রবিবার নন -নেট ফেলোশিপের বকেয়া অর্থ মেটানোর দাবিতে এবং ২০১৮ -২০১৯ সালের নননেট ফেলোশিপ চালুর দাবিতে কেন্দ্রীভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন গবেষণারত বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ২০১৫ সাল পর্যন্ত এম ফিল এবং পি এইচ ডি পড়ুয়াদের ফেলোশিপ দিত। তারপর ইউ জি সি ঘোষণা করেছিল আমরা নন নেট ফেলোশিপ তুলে দেব। কিন্তু এই ফেলোশিপ সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া হত।
এরপর বিশ্বভারতী ঘোষণা করে তারা নন নেট ফেলোশিপ দেবে না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন নন নেট ফেলোশিপ তোলে নি। বিশ্বভারতীতে সেই খাতে টাকা আসত। ২০১৬-১৭ সালে যারা বিশ্বভারতীতে ভর্তি হয়, তাদের কোন ফেলোশিপ দেওয়া হতো না। ২০১৭ সালে ফেলোশিপ দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন হয়। তাছাড়াও গবেষণারত পড়ুয়া মণীষ পাণ্ডে ও বিউটি সাহারা বলেন, নননেট ফেলোশিপের ব্যাপারে আর টি আই করা হয়।
জানতে চাওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন নননেট ফেলোশিপ আদৌ বন্ধ করেছে কিনা? তাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন জানায়, না মঞ্জুরী কমিশন তা বন্ধ করে নি। তারা জানায় বিশ্বভারতীকে এই খাতে অর্থ দেওয়া হয়। দেওয়া হয়েছে। সবুজ কলি সেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য থাকা কালীন আন্দোলন চলে, তিনি আশ্বাস দেন। ২০১৬-১৭ সালে পড়ুয়াদের প্রাপ্য ফেলোশিপের টাকার এক তৃতীয়াংশ দেওয়া হবে এবং পাশাপাশি মাসে মাসে প্রদেয় অর্থ দেওয়া হবে।
২০১৭ সালের পড়ুয়াদের বাকি ১৪ মাসের বকেয়া দুই তৃতীয়াংশ টাকা এখনও দেওয়া হয় নি। পুজোর ছুটির আগে সেই টাকা দিতে হবে। ২০১৮ সালের গবেষণারত পড়ুয়াদের কোন ফেলোশিপ দেওয়া হচ্ছে না। তাদের ফেলোশিপ চালু করতে হবে। গত শনিবার এম ফিল ও পি এইচ ডি পড়ুয়াদের ভর্তি হয়। সেখানে একটা ফর্মে সই করিয়ে নেওয়া হয়, তাতে বলা হয় কেউ ফেলোশিপ দাবি করতে পারবে না। সবাইকে নন নেট ফেলোশিপ দিতে হবে এবং বকেয়া ফেলোশিপ দিতে হবে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment