নিজস্ব প্রতিনিধিঃ (১) সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অবস্থান হল পিঠের ওপর ভর দিয়ে ঘুমানো।
এর ফলে গলা এবং পিঠ ব্যথা কমে। বদ হজম, অম্বল ইত্যাদি হ্রাস পায়। মুখের বলিরেখা কমে। মহিলাদের বক্ষ সৌন্দর্য বজায় থাকে। এছাড়া, পিঠের উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে ঘুমালে মাথা, ঘাড় এবং মেরুদণ্ডের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় থাকে। সর্বোপরি, এটি অ্যাসিডিটির রিফ্লক্সের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পক্ষেও আদর্শ।
এই অবস্থানে মাথা সোজা হয়ে থাকে এবং পাকস্থলী খাদ্যনালীর নিচে থাকে। এরফলে, অ্যাসিড বা খাদ্য পুনরায় সেই পথে ফিরে যেতে পারে না। এই অবস্থানে খারাপ দিক হল নাসিকাগর্জন । যারা পাশ ফিরে শুতে পছন্দ করেন, তারা অবশ্যই বাম দিকে পাশ ফিরে শোবেন। আর নরম তুলতুলে বালিশ নেবেন।
এর কারণ হল মাথা ও ঘাড়কে একটি অবলম্বন দেওয়া। যাতে করে গোটা শরীরের ভার না পরে মেরুদণ্ডের উপর না পড়ে। এই অবস্থানের ভালো দিক হল,গলাং পিঠে ব্যথা কমে। অ্যাসিডিক রিফ্লাক্স হ্রাস হয়। নাক ডাকা কমে। গর্ভাবস্থায় ঘুমানোর জন্য আদর্শ অবস্থান। ত্বক এবং বক্ষ সৌন্দর্যের জন্য এই অবস্থান খুবই ভালো।
এ্যসিডিক রিফ্লাক্স কমলেও, পাশ ফিরে ঘুমানোর ফলে মুখের বলিরেখা বেড়ে যেতে পারে। বক্ষ সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
এছাড়াও, ঘাড় এবং পিঠে ব্যথা হতে পারে। এক পাশে শোয়ার জন্য হাতে ব্যথা হতে পারে। তবে সব থেকে খারাপ অবস্থান হল আপনার হাঁটু ভাঁজ করে শোওয়া। এই অবস্থানে থুতনির কাছে হাঁটু চলে আসে। এর ফলে, আর্থ্রারাইটিস এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
পাকস্থলীর ওপর চাপ দিয়ে উল্টো হয়ে শোওয়াও খারাপ।এর ফলে, ঘাড় এবং পিঠে ব্যথা হতে পারে। মুখে অজস্র বলিরেখা দেখা যায়। বেঢপ স্তনের আকৃতি হতে পারে। এর ভাল দিক হল সহজ নাক ডাকা। এই অবস্থানে মেরুদণ্ডের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা কঠিন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment